কুতুবদিয়ায় লোডশেডিং চরমে

কুতুবদিয়া প্রতিনিধি:

কুতুবদিয়ায় গরম আসতে না আসতেই বিদ্যুৎ বিতরণে ভেলকিবাজি শুরু হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সরবরাহকৃত নামে মাত্র বিদ্যুতেও লোডশেডিং চরম আকার ধারণ করেছে।

উপজেলা সদরে একাধিক লাইনে দু’দিন বিদ্যুৎ সরবরাহ দিয়ে পালাক্রমে আবার দু’দিন বন্ধ রাখা হচ্ছে। জেনারেটরের বিদ্যুতেও কর্তৃপক্ষ লোডশেডিং এর অজুহাত দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেক ব্যবসায়ী। সন্ধ্যা সোয়া ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত উপজেলা সদরে বিদ্যুৎ মার্কেট, লামারবাজার, বড়ঘোপ বাজার ও উপজেলা পরিষদে বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়।

গত ১০ দিন ধরে লামার বাজার, উপজেলা গেইট, হাসপাতাল গেইট, কলেজ গেইট, বিদ্যুৎ মার্কেট এলাকায় নিয়মিত দু’দিন বন্ধ রেখে আবার দু’দিন সংযোগ দেয়া হচ্ছে। এ ভোগান্তির ফলে নিয়মিত ব্যবসা করতেই পারছেন না।

হাসপাতাল গেইটের ফল ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হোছাইন বলেন, জেনারেটরে বিদ্যুতে লোড শেডিং হয়-এটা আজগুবি কথা। মেশিনে লোড  না নিলে সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত  সরবরাহ দেয়া হলেও জরুরী বেঁচা-কেনা শেষ করা যেত। তা না করে অন্ধকারে রাখা হচ্ছে পুরো এলাকা।

একই কথা জানান বড়ঘোপ ডাকবাংলো মার্কেটের টেইলার্স ব্যবসায়ী স্বপন। যে টুকু বিদ্যুৎ দেয়া হয় তার অর্ধেক সময় মেশিন কয়েক দফা বন্ধ থাকে বলে তিনি জানান।

বিদ্যুৎ সরবরাহে এমন নাজুক পরিস্থিতির ব্যাপারে“ সরকারি বিদ্যুতের উপর ভরসা না করে  প্রাইভেট জেনারেটরের উপর নির্ভর করার পরামর্শ দিয়ে”  আবাসিক প্রকৌশলী আবুল হাসনাত বলেন, পুরাতন জেনারেটর লোড নিচ্ছেনা। গরম আসতেই গ্রাহকরা ফ্রিজ, ফ্যান চালাচ্ছেন। লোড না নেয়ায় তাকে একাধিক লাইনে সংযোগ বন্ধ রাখতে হচ্ছে। করার কিছুই নেই। নতুন আরেকটি মেশিন  আসবে-এমন আশার বানী তিনি শোনান।

একই সাথে জাতীয় গ্রীড থেকে নেভাল ক্যাবলের মাধ্যমে কুতুবদিয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহের সেই চিরাচরিত আশ্বাসের কথাও জানান তিনি। যা বিগত ১০ বছর ধরেই লক্ষাধিক দ্বীপবাসি শুনে আসছে।

ঘটনাপ্রবাহ: কুতুবদিয়া, চরমে, লোডশেডিং

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

one + 14 =

আরও পড়ুন