দেশ বিভক্তির জন্য ‘আদিবাসী’ নামক বিষবৃক্ষ রোপণ করা হচ্ছে-পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ

fec-image

বান্দরবানে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে আবারো দাবী করেছে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্টীর সদস্যরা আদিবাসী নয়। এই শব্দটি বাংলাদেশ সংবিধান পরিপন্থি। দেশ বিভক্তির উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আদিবাসী শব্দের ব্যবহার ও অসাংবিধানিকভাবে আদিবাসী দিবস পালন করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৮ আগষ্ট) সকালে বান্দরবান শহরের একটি রেষ্টুরেন্টে সাংবাদিক সম্মেলনে এ সব কথা বলেন বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের নেতারা।

সচেতন পার্বত্যবাসীর ব্যানারে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আখন্দ বলেন, পাহাড়ের আঞ্চলিক দল ইউপিডিএফ এই আদিবাসী তথ্যে বিশ্বাসী নয়। শান্তিচুক্তির সময় আদিবাসী কথাটি অর্ন্তভুক্তিতে আপত্তি ছিল জেএসএস প্রধান সন্তুু লারমার। তখন তিনি বলেছিলেন আমরা আদিবাসী নই, আমরা উপজাতি। এছাড়া চাকমা সার্কেল চীফ রাজা দেবাশিষ রায় রাষ্ট্রীয়ভাবে অফিসিয়ালি লিখেছেন বাংলাদেশে কোন আদিবাসী নেই। প্রয়াত বান্দরবান বোমাং সার্কেল চীফ রাজা অংশৈ প্রু চৌধুরী বলেছিলেন, আমাদের বাপ-দাদারা মায়ানমারের রাজা। আমরা সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান নিয়েছি। এই অবস্থায় কার স্বার্থে কাকে খুশি করার উদ্দেশ্যে কথিত আদিবাসী নামক বিষবৃক্ষ রোপণ করা হচ্ছে তা এখনই খতিয়ে দেখতে হবে সরকারকে।

সাংবাদিক সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য ছাত্র পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন রাসেল, সদস্য সচিব মো: শফিকুর রহমান, মো: নেছার উদ্দিন, আব্দুল্লাহ আল মামুন ত্রিপুরা, ৩নং ওয়ার্ড আহ্বায়ক মো: সাকিব চৌধুরী প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ৯ আগষ্ট বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ আদিবাসী দিবস উপলক্ষে পাল্টা কোন কর্মসূচি না দিলেও ১০ আগষ্ট বান্দরবান প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচির ঘোষণা করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 + 7 =

আরও পড়ুন