“মুরগীর খামারে মালিকের দেয়া চোর ঠেকানোর বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে শাহ আলম মারা যায়। ”

ফাক্রিকাটা খাসপাহাড়ে মুরগীর খামারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু

fec-image

 

ফাক্রিকাটা খাসপাহাড়ে মুরগীর খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মুহাম্মদ শাহ আলম (৩৪) নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।  তার পিতার নাম মৃত মোজাহের মিয়া।

জানাযায়, বৃহস্পতিবার(৬ জুন) দুপুর ২টায় ফাক্রিকাটা খাসপাহাড়ের আহমদ কবির ঘোনার আগায় নুরুল আমিন ওরফে লতা আমিনের মুরগীর খামারে মালিকের দেয়া চোর ঠেকানোর বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে শাহ আলম মারা যায়।

মৃতের পরিবার জানান, তারা কৃষি পরিবার। তার পিতা মাঝে মধ্যে শ্রমিকের কাজও করতো। তাদের বাড়ি কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের আহমদ কবিরের ঘোনার আগায় পাহাড়ের টিলায়। আর এ টিলার পাশে আমিনের মুরগীর খামার। এ খামারে শ্রমিকের কাজ করে র্বামাইয়া ইউনুছ। সে ঈদের ছুটিতে বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ায় ২ দিনের জন্যে অস্থায়ী দায়িত্ব দেয় শাহ আলমকে। কারণ শাহ আলমের বাড়ি এ খামারের পাশেই।

তারা আরো জানান, এ দায়িত্ব নিলেও শাহ আলম নিজের পালিত গরু-ছাগলের তত্বাবধানও করে আসছিলো পূর্বের নিয়মে। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার দুপুরে অন্যান্য কাজের শেষে নিজের পালিত গরুর পরিচর্যা শেষে বাড়ি ফেরার পথে আমিনের দেয়া বিদ্যুত তারে জড়িয়ে যায় শাহ আলম। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে তাকে প্রথমে নাইক্ষ্যংছড়ি পরে কক্সবাজার সদর হানপাতালে নিলে  ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।

এদিকে উপজেলার একটি সূত্র দাবি করেন, শাহ আলম মারা যাওয়ার ঘটনাস্থল আমিনের মুরগির খামারটি খাস পাহাড় এলালায়। এখানে বিদ্যুৎ সংযোগ নিষিদ্ধ করা হয়েছে কয়েক বছর ধরে। কিন্তু বিদ্যুত অফিসের কিছু দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারীর যোগসাজসে এ খাস পাহাড়ে অন্তত শতাধিক অবৈধ মিটারের সংযোগ দেয়।

অপর দিকে এ খাস পাহাড়েই গত পহেলা জুন রোহিঙ্গাদের উর্পুযপুরি ছুরিকাঘাতে বাংলাদেশী কৃষক মারা গিয়েছিলো। যে ঘটনায় ৭ জনকে নামীয় আসামি আর আরো বেশ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে রামু থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়। এজাহারের বিষয়টি পুলিশ নিশ্চিত করেছেন।

পাশাপাশি একইদিন ইউনিয়নের দৌছড়ির লামার খামার এলাকায় রহস্যজনভাবে এক লোকের মৃত্যুর পর
পুরো ইউনিয়ন জুড়ে লাশের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

fourteen − eight =

আরও পড়ুন