বান্দরবানে বিএনপি’র তিন নেতার উপর হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবানের থানচির দুর্গম তিন্দু ও রেমাক্রী ইউনিয়নে পৃথক ঘটনায় বিএনপির তিন নেতাকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং দুই জন ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হয়ে বান্দরবান সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার বিকালে দুর্গম তিন্দু ও রেমাক্রী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, তিন্দু ইউনিয়নের বিএনপির সহ-সভাপতি ও হেডম্যান প্রেমথাং খুমী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছেন রেমাক্রী ইউনিয়নে বিএনপি কর্মী উক্য অং মারমা ও অংচিং মারমা

আহত প্রেমথাং খুমী সাংবাদিকদের বলেন, রেমাক্রী ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী সাচিং প্রু জেরীর নির্বাচনি প্রচারণা নিয়ে বাকবিতন্ডার জের ধরে প্রতিপক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে পরে খামার বাড়িতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে প্রেমাথাং খুমি আহত হন।

বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক ওসমান গনি অভিযোগ বলেন, গত বুধবার বিকালে বিএনপি প্রার্থী সাচিং প্রু জেরীর নির্বাচনি প্রচারণার সময়ে তিন্দু ইউনিয়নের প্রেমথাং খুমীর সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের বাকবিতন্ডা হয়। এ ঘটনার জের ধরে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে প্রেমথাং খুমীকে খামার বাড়িতে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করে তারা। তার শরীর থেকে গুলি বের করা হয়েছে।

এদিকে রেমাক্রী ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থীর পোস্টার ছিড়ে ফেলার সময় বিএনপি কর্মীরা আওয়ামী লীগ কর্মীদের বাধা দিলে উত্তেজিত হয়ে আওয়ামী লীগের দুর্বত্তরা বিএনপি কর্মী  উক্য অং মারমা ও  অংচিং মারমাকে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। তাদের সবাইকে বান্দরবান সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, অতিতের কোন নির্বাচনে  আওয়ামী লীগ বিএনপির মধ্যে মারামারি হওয়ার ঘটনা ঘটে নাই। বিএনপি নিজেদের মধ্যে মারামারি করে আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এ ঘটনার তদন্তের দাবি জানাই।

এ বিষয়ে থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুস সাত্তার বলেন, ঘটনার খবর শুনেছি। তবে এখনও পর্যন্ত আমাদের এখানে কেউ এ বিষয়ে মামলা করতে আসেনি।

One Reply to “বান্দরবানে বিএনপি’র তিন নেতার উপর হামলা”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

11 + sixteen =

আরও পড়ুন