“প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা উন্নত ও পেশাদার সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয়তা উপলদ্ধি করে ১৯৭৪ সালেই প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন করেন। সেই আলোকেই বর্তমান সরকার একটি শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার জন্য আর্ম ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়ন করেছে।”
সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী

সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দক্ষ অফিসারদের হাতে ন্যস্ত করতে হবে

fec-image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সেনাবাহিনীকে সবসময় জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। এর নেতৃত্বে যোগ্য, দক্ষ, কর্মক্ষম ও দেশপ্রেমিক অফিসারদের হাতে ন্যস্ত করতে হবে।’

রবিবার (১৬ জুন) সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০১৯-এর সভায় সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী এ সব কথা বলেন। বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের সাখে কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা উন্নত ও পেশাদার সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয়তা উপলদ্ধি করে ১৯৭৪ সালেই প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন করেন। সেই আলোকেই বর্তমান সরকার একটি শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার জন্য আর্ম ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়ন করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুই প্রথম ব্যক্তি যিনি এই মাটিতে জন্মগ্রহণ করেই এদেশ শাসন করেছেন। এর আগে যারা শাসন করেন, তাদের কারও জন্মই এদেশে নয়।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সরকার বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়েই পরিচালিত হচ্ছে। জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়ার জন্যই সরকার নিরন্তর সংগ্রাম করে যাচ্ছে। যেখানে কেউ আর ক্ষুধার্ত থাকবে না।’

এর আগে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠান স্থলে পৌঁছলে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ তাকে স্বাগত জানান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, প্রতিরক্ষা সচিব আখতার হুসেইন ভুইয়া ও সশস্ত্রবাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রধানমন্ত্রী, শেখ হাসিনা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two × 2 =

আরও পড়ুন