Notice: Trying to get property 'post_excerpt' of non-object in /home/parbatta/public_html/wp-content/themes/artheme-parbattanews/single.php on line 53

Notice: Trying to get property 'guid' of non-object in /home/parbatta/public_html/wp-content/themes/artheme-parbattanews/single.php on line 55

মিয়ানমারে ধর্মীয় বৈষম্য নেই: পোপকে সেনাপ্রধান

পার্বত্যনিউজ ডেস্ক:

মিয়ানমারে কোনও ধর্মীয় বৈষম্য নেই বলে দাবি করলেন দেশটির সেনাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাং। সোমবার ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে এক বৈঠকে এ দাবি করেন তিনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমার সফরের প্রথম দিনেই পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে মিং অনের এক আকস্মিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।সফরসূচি অনুযায়ী মিয়ানমারের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তি সিনিয়র জেনারেল মিং-এর সঙ্গে পোপের নির্ধারিত বৈঠকটি শেষ দিন ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো।

তবে শুরুর দিনেই ইয়াঙ্গুনে আর্চ বিশপের বাসভবনে পোপের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন মিয়ানমারের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা। মিন অং বলেন, ‘মিয়ানমারে কোনও ধর্মীয় বৈষম্য নেই এবং প্রত্যেকেই ধর্ম স্বাধীনতা পায়। প্রত্যেক সেনাসদস্য দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে।

গত ২৫ আগস্ট রাখাইনে সহিংসতার পর রোহিঙ্গাদের ওপর নিধনযজ্ঞ শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। হত্যা ও ধর্ষণ থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে ছয় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। জাতিসংঘ এই ঘটনাকে জাতিগত নিধনযজ্ঞের ‘পাঠ্যপুস্তকীয় উদাহরণ’ বলে উল্লেখ করেছে। সম্প্রতি এই ঘটনাকে জাতিগত নিধনযজ্ঞ বলেছে যুক্তরাষ্ট্রও।

তবে সব ধরনের হত্যাযজ্ঞ ও ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করেছে সেনাবাহিনী। রাতে সেনা প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিনের দেয়া ফেসবুক পোস্টে দেখা যায়, রাখাইন রাজ্যে কোনো ধর্মীয় বৈষম্য হয়নি বলে পোপ-কে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

জবাবে পোপ ফ্রান্সিস কি প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন- তা উল্লেখ করা হয়নি মিয়ানমারের পক্ষ থেকে।

পোপ ফ্রান্সিস প্রথমবারের মতো সোমবার দুপুরে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে পৌঁছান রোহিঙ্গা প্রশ্ন সঙ্গে নিয়ে। ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের কয়েক হাজার সদস্য তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও সংগীতের মাধ্যমে পোপকে শুভেচ্ছা জানায়। এদিকে উগ্র বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদীরা তাকে রোহিঙ্গা প্রশ্নে কোনও কথা না বলার হুমকি দিয়েছে। এক কঠিন কূটনৈতিক পরীক্ষার জমিনে দাঁড়িয়ে আছেন ইতিহাসের আলোচিত এই ক্যাথলিক ধর্মগুরু। তিনদিনের সফর শেষে ৩০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের উদ্দেশে নেপিদো ছাড়বেন তিনি।

 

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন