parbattanews

অভিঘাত পেরিয়ে শান্তি ও সহাবস্থান ফিরিয়ে আনতে হবে : মির্জা ফখরুল

অভিঘাত পেরিয়ে শান্তি, স্বস্তি, সুস্থতা ও সহাবস্থান ফিরিয়ে আনতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১৩ এপ্রিল ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজ পোস্টে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছায় এই মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপি মহাসচিব তাঁর শুভেচ্ছা বাণীতে উল্লেখ করেন, ‘গত বছরের নানা ঘটনা ও দুর্ঘটনার অভিঘাত পেরিয়ে আমাদের শান্তি, স্বস্তি, সুস্থতা ও সহাবস্থান ফিরিয়ে আনতে হবে। নতুন বছর আদর্শ জীবন-এই শিক্ষা এবং উন্নত সংস্কৃতির তাগিদ সৃষ্টি করে। মানুষে মানুষে বিচ্ছিন্নতা ও বিভাজন দুর করে পহেলা বৈশাখ ভরে উঠুক পারস্পরিক শুভেচ্ছায়।’

মির্জা ফখরুল বাণীতে আরো উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশীদের সমগ্র সত্তাকে ধারণ করে আছে বাংলা নববর্ষ। বৈশাখের উষালগ্ন থেকেই ছায়াসুনিবিড় শান্তির আশ্রয়ের ন্যায় আমাদের মনকে ভরিয়ে তোলে বৈশাখী উৎসব। নববর্ষের প্রথম প্রহরে আমাদের অগণিত সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’

তিনি বলেন, ‘বাংলা নববর্ষ আমাদের জাতীয় জীবনের এক আলোকিত আনন্দময় উৎসব। উৎসবে বৈরিতা, দ্বন্দ্ব থাকবে না, প্রাণ-প্রাচুর্য্যে সঞ্চারিত হবে সবার হৃদয়। উৎসব সংহতিরও প্রতীক। পহেলা বৈশাখ থেকেই শুরু হয় নতুন বছরকে বরণ করে নেয়ার আকুলতা। নতুন বছর মানেই অতীতের সকল ব্যর্থতা, জ্বরাজীর্ণতা পেছনে ফেলে নতুন উদ্দীপনা ও উৎসাহে নতুন গতিশীল কর্মপ্রবাহে সুন্দর, সমৃদ্ধ আগামী নির্মাণ করা।’

১৪৩৩ বাংলা সনের প্রথম দিনের নতুন আলোতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নিকট কায়মনোবাক্যে দেশের সকল মানুষের সুখ ও শান্তির জন্য প্রার্থনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মানুষে মানুষে বিচ্ছিন্নতা ও বিভাজন দুর করে পহেলা বৈশাখের উৎসব ভরে উঠবে পারস্পরিক শুভেচ্ছায়। ইতিহাসে বাংলাদেশীদের স্বাতন্ত্র্যধর্মের পরিচয় মেলে। ধর্ম-লোকাচার, রাজনীতি, সাহিত্য-সংস্কৃতির পরিমন্ডলে এই স্বাতন্ত্র্যবোধ বাংলাদেশীদের মানষলোকের বিশেষত্ব। প্রতিটি উৎসবের অন্ত:স্থলে থাকে ধনী-নির্ধন নির্বিশেষে সব মানুষের মিলন, পরোক্ষে একটি জাতির নানা সম্প্রদায়, ধর্ম-গোষ্ঠীকে সংযুক্ত করে নানাভাবে।’

Exit mobile version