২২ সন্ত্রাসী আটক, ৮ আগ্নেয়াস্ত্র ও ৩৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার: আইএসপিআরের প্রতিবেদন

আগস্টে পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপত্তাবাহিনীর সাথে গুলি বিনিময়ে ৪ ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী ১ সৈনিক নিহত

fec-image

গত আগস্ট মাসে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর টহল দলের সাথে গুলি বিনিময়ের দুইটি পৃথক ঘটনায় ইউপিডিএফ (মূল) দলের একজন শীর্ষ সন্ত্রাসীসহ ৪ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়।  এদিকে গত ১৮ আগস্ট সন্ত্রাসীদের সাথে গুলি বিনিময়কালে একজন সেনাসদস্য শহীদ হয়। এছাড়াও সেনাবাহিনী কর্তৃক ২২ জন সন্ত্রাসী গ্রেফতার, ৮টি দেশি/বিদেশি অস্ত্র ও ৩৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আগস্ট মাসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় গত ১ আগস্ট ঢাকা সিএমএইচ-এ হাংগেরির একটি মেডিকেল টিমের সহায়তায় ৩৩ ঘন্টা ব্যাপি একটি বিরল অপারেশনের মাধ্যমে মাথা জোড়া লাগানো যমজ বাচ্চা রাবেয়া ও রোকেয়ার সফল অস্ত্রপাচার সম্পন্ন হয়। অপারেশনের পরে হাংগেরীয় মেডিকেল টিমের সদস্যরা দেশে প্রত্যাবর্তনের পরে ঢাকা সিএমএইচ এর একটি মেডিকেল টীম সার্বক্ষণিকভাবে বাচ্চা দুটিকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করে আসছে।

গত ১৮ আগস্ট বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, বিএসপি, বিজিবিএম, পিবিজিএম, বিজিবিএমএস, পিএসসি, জি ৪ দিনের সরকারি সফরে ইন্দোনেশিয়া গমন করেন। সেনাবাহিনী প্রধান ইন্দোনেশিয়া সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে সাক্ষাতকালে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে সন্ত্রাস দমন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ অন্যান্য বিভিন্ন সামরিক ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক প্রশিক্ষণ সহায়তার উপর বিস্তারিত আলোচনা করেন। এছাড়াও সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশে বিদ্যমান রোহিঙ্গা সমস্যা এবং ভবিষ্যতে এই সমস্যার ফলে উদ্ভুত বিভিন্ন আঞ্চলিক সমস্যা ও নিরাপত্তা হুমকি নিয়েও আলোচনা করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

সেনাবাহিনী প্রধানের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের সকল সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে বিশেষ ডেঙ্গু সেল গঠনের মাধ্যমে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গকে ডেঙ্গু টেস্টের যাবতীয় সহায়তা ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। ঢাকা সেনানিবাসের এএফআইপিতে গত আগস্ট মাসে সর্বমোট ৩২৭৫ জন বেসামরিক ব্যক্তি এই সহায়তা গ্রহণ করেন। গত ৭ আগস্ট ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে সকলের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঢাকা সেনানিবাসসহ অন্যান্য সকল সেনানিবাসে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সেনা সদস্যগণের পাশাপাশি তাদের পরিবারবর্গও এবং সকল সেনানিবাসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীগণও অংশগ্রহণ করে।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: অস্ত্র উদ্ধার, সেনাবাহিনী
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ten + 13 =

আরও পড়ুন