‘আমরা চাই পাহাড়ের মেয়েরা প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় এগিয়ে যাক’

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নোমান হোসেন বলেছেন, “আমরা চাই, পাহাড়ের শিশু, বিশেষত মেয়েরা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় আরও এগিয়ে যাবে। এর জন্য জেলা পরিষদ কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন,পাহাড়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার পথ সুগম করতে ডিজিটাল উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইটছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়ন নিঃসন্দেহে শিশুদের শেখার মান বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখবে”।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) খাগড়াছড়ির কমলছড়ি ইউনিয়নের ইটছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবনির্মিত স্কুল ভবন ও ডিজিটাল মাল্টিমিডিয়া স্থাপন পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর পিপি রানী ত্রিপুরা, উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর মো. শাহরিয়ার আকিব, বায়োডাইভারসিটি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট প্রকল্পের জেলা প্রকল্প কর্মকর্তা সুকেতন চাকমা, প্রকল্পের মহালছড়ি উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর নকুল ত্রিপুরা, একই প্রকল্পের পানছড়ি উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর ইতা চাকমাসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট আরও অনেকে।
প্রকল্পের উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর পিপি রানী ত্রিপুরা বলেন, “এই প্রকল্প শুধু শিক্ষা নয়, নারীর ক্ষমতায়নের এক বাস্তব প্রয়াস। ডিজিটাল মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও নবনির্মিত ভবনের মাধ্যমে শিশুদের শেখাকে সহজ, আকর্ষণীয় এবং বর্তমান যুগোপযোগী করা হবে।”
প্রকল্পের উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর মো. শাহরিয়ার আকিব জানান, “অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও প্রযুক্তির সংযোজন গ্রামীণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চেহারা বদলে দিচ্ছে। ইটছড়ি বিদ্যালয় এখন পাহাড়ের অন্যান্য স্কুলগুলোর জন্য উদাহরণ।”
ডিজিটাল মাল্টিমিডিয়া স্থাপনে শিক্ষকরা এখন পাঠদান করতে পারবেন আরও আকর্ষণীয়ভাবে। ছোট শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ তৈরি হবে, পাশাপাশি উপস্থিতি ও শেখার মানও বৃদ্ধি পাবে।
বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি প্রণব চাকমা বলেন, “এই উদ্যোগ তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়তে নতুন আশা ও প্রেরণা যোগাবে। অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমে নারী ও মেয়ে শিশুর ক্ষমতায়ন প্রকল্প পাহাড়ি শিক্ষায় একটি নতুন মানদণ্ড তৈরি করছে। ইটছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই অগ্রগতি নিঃসন্দেহে খাগড়াছড়ির শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন উদাহরণ স্থাপন করবে।”

















