parbattanews

আমার মেয়ে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন : কায়সার হামিদ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শুক্রবার (১৫ মে) রাতে ভারতের চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

মেয়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আবেগঘন একটি পোস্ট দেন তার বাবা কায়সার হামিদ। বাবা-মেয়ের একটি হাস্যোজ্জ্বল ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমার প্রাণপ্রিয় আদরের মেয়ে কারিনা কায়সার একটু আগে চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমাদের ছেড়ে ওপারে চলে গেছে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আমার মেয়ের কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে কিংবা কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে আপনারা তাকে ক্ষমা করে দেবেন। যারা এই দুঃসময়ে আমাদের পাশে ছিলেন, দোয়া করেছেন ও সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। দোয়া করবেন সবাই, আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করুক।’

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, লিভার–সংক্রান্ত জটিলতায় কয়েকদিন ধরেই সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা কায়সার। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়।

চেন্নাইয়ে ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকেরা প্রথমে তার ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু করেন। পরবর্তীতে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও চলছিল বলে জানা যায়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হন কারিনা। পরে শরীরে গুরুতর সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস এ ও ই-জনিত জটিলতায় তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

সামাজিকমাধ্যমে কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে জনপ্রিয়তা পাওয়া কারিনা কায়সার সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার কাজ নিয়েও ব্যস্ত ছিলেন। তার অকাল মৃত্যুতে শোবিজ অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

Exit mobile version