
টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার আহমেদ শেহজাদ, মিসবাহ উল হক, হারিস সোহেল আর সোয়েব মাকসুদের ব্যাটে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান তুলেছে ৩৩৯ রান।
নিজেদের শক্তির ওপর অগাদ আস্থা। সেই আস্থা থেকেই কি না নেপিয়ারের ম্যাকলিন পার্কে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিল না আরব আমিরাতের অধিনায়ক মোহাম্মদ তৌকির। আমন্ত্রণ জানালো পাকিস্তান অধিনায়ক মিসবহা-উল হককে।
তবে পরিকল্পনা মতো আটতে রাখতে পারেনি পাকিস্তানিদের। বরং উল্টো পাকিস্তানের করা ৬ উইকেটে ৩৩৯ রানের বিশাল পাহাড়ের নীচে চাপা পড়তে হলো আরব আমিরাতকে। অবশেষে বিশ্বকাপে এসে রান পেলো পাকিস্তান।
ব্যাট করতে নেমে বরাবরেরমত শুরুতেই বিপর্যয়। ওপেনার নাসির জামসেদ আউট হয়ে গেলেন শুরুতেই। দলীয় ১০ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত মাত্র ৪ রান করে ফিরে যান জামসেদ। এ নিয়ে তার স্কোর দাঁড়াল ০, ১, ৪-এ।
তবে অপর ওপেনার আহমেদ শেহজাদ এবং ওয়ান ডাউনে নামা হ্যারিস সোহেল মিলে চেষ্টা করেন পাকিস্তানের ইনিংস গড়ার। ১৬০ রানের জুটি গড়েন তারা দু’জন। ১০৫ বলে ৯৩ রানে রানআউট হয়ে যান শেহজাদ। ৮টি বাউন্ডারি আর ১টি ছক্কায় সাজানো ছিল তার ইনিংস। হ্যারিস সোহেল আউট হন ৮৩ বলে ৭০ রান করে। ৫টি বাউন্ডারি আর ১টি ছক্কায় ইনিংস সাজান তিনি।
এরপর শোয়েব মাকসুদ আর মিসবাহ-উল হক মিলে গড়েন ৭৫ রানের জুটি। ৩১ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন মাকসুদ। ৪ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কার মার ছিল তার ইনিংসে। ৪৯ বলে ৬৫ রানে আউট হন অধিনায়ক মিসবাহ-উল হক। তিনিও ৪টি বাউন্ডারি এবং ২টি ছক্কার মার মারেন।
শেষ দিকে হঠাৎই পর পর দুই বলে মিসবাহ এবং উমর আকমলের উইকেট তুলে নিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলেন মানজুলা গুরুগে। তবে আফ্রিদি হতে দিলেন তার এই বিরল রেকর্ডটি। শেষ পর্যন্ত আফ্রিদির ৭ বলে ২১ এবং ওয়াহাব রিয়াজের ১ বলে এক ছক্কায় পাকিস্তানের রান গিয়ে দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৩৩৯ রানে।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে যে দলটি নিয়ে মাঠে নেমেছিল, সেটার ওপরই আস্থা রেখেছে পাকিস্তান টিম ম্যানেজমেন্ট। ওপেনার নাসির জামসেদের ওপরই আস্থা রেখেছে দল। এমনকি স্পিনার ইয়াসির শাহকে নেওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তাকে দলে নেওয়া হয়নি। আরব আমিরাতও তাদের দলে পরিবর্তন আনেনি।
পাকিস্তান: নাসির জামসেদ, শেহজাদ, হ্যারিস সোহেল, মিসবাহ, শোয়েব মাকসুদ, উমর আকমল, আফ্রিদি, ওয়াহাব রিয়াজ, সোহেল খান, রাহাত আলি এবং মোহাম্মদ ইরফান।
আরব আমিরাত: আমজাদ আলি, আন্দ্রি বেরেঙ্গার, কৃষ্ণ চন্দ্র, খুররম খান, শাইমান আনোয়ার, স্বপ্নিল পাতিল, রোহান মোস্তফা, আমজাদ জাভেদ, মোহাম্মদ নাভেদ, মোহাম্মদ তৌকির, মানজুলা গুরুগে।