বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড–ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দুই তারকা হ্যারি কেইন ও লুকা মদ্রিচ।
বৃহস্পতিবার ( ১৮ জু8) রা৮ ২ টায় টেক্সাসের আর্লিংটনে ‘এল’ গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে দুই দলের ভাগ্য অনেকটাই নির্ভর করছে এই দুই অভিজ্ঞ ফুটবলারের পারফরম্যান্সের ওপর।
ম্যাচের আগে ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল মদ্রিচের প্রশংসা করে বলেন, বয়স যতই হোক, মাঝমাঠে তার মতো বৈচিত্র্যময় ও প্রভাবশালী ফুটবলার এই বিশ্বকাপে আর নেই। ক্রোয়েশিয়ার মূল চালিকাশক্তি এখনো তিনিই।
অন্যদিকে ক্রোয়েশিয়া কোচ জ্লাতকো দালিচ জানিয়েছেন, হ্যারি কেইন দুর্দান্ত ফর্মে আছেন। ক্লাব ও জাতীয় দল—দুই জায়গাতেই তিনি ধারাবাহিকভাবে গোল করে চলেছেন।
কাগজে-কলমে কিছুটা এগিয়ে ইংল্যান্ডই। বাছাইপর্ব থেকে প্রস্তুতি ম্যাচ—সব জায়গাতেই দারুণ ছন্দে আছে টুখেলের দল। কেইনের পাশাপাশি আক্রমণে জুড বেলিংহ্যাম ও বুকায়ো সাকা ফর্মে রয়েছেন। তবে একাদশ নির্বাচন নিয়ে কিছুটা ভাবনায় আছেন কোচ। নাম্বার টেন পজিশনে বেলিংহ্যামের বদলে মর্গ্যান রজার্স এবং সাকার জায়গায় ননি মাদুয়েকে সুযোগ পেতে পারেন।
অন্যদিকে ক্রোয়েশিয়ার মূল শক্তি অভিজ্ঞতা। ৪০ বছর বয়সী মদ্রিচকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে তাদের মাঝমাঠের খেলা। মাতেও কোভাসিচের সঙ্গে তার বোঝাপড়া দলকে ভারসাম্য দিচ্ছে। মদ্রিচ নিজেও আত্মবিশ্বাসী, “আমরা ইংল্যান্ডকে সম্মান করি, কিন্তু ভয় পাই না।”
সাম্প্রতিক ইতিহাসও ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে কথা বলে। ২০১৮ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল তারা। এরপরের দুই আসরে রানার্সআপ ও তৃতীয় হয়ে নিজেদের ধারাবাহিকতা প্রমাণ করেছে দলটি।
