ঈদগাঁওয়ে খাল থেকে কালুর লাশ উদ্ধার


কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ের মোহাম্মদ কালুর (৪২) লাশ মিলল সদরের খুরুস্কুল- চৌফলদন্ডি ব্রীজ সংলগ্ন পল্লন খালী খালে।
নিহত কালু ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড নাপিত খালী ডুলা ফকির রাস্তার মাথা এলাকার মৃত ইউসুফ আলীর পুত্র ।
কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে নিহতের ভাই সাহাব উদ্দিন মরদেহ টি সনাক্ত করেন। নিহত কালু কক্সবাজার শহরের একটি হোটেলের কর্মচারী ছিল বলে জানা গেছে।
সাহাব উদ্দিন জানান, তার ভাই মোহাম্মদ কালু কক্সবাজার শহরের লালদীঘির পাড়ের একটি আবাসিক হোটেলে চাকুরী করতো। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনো কিছুই ধারনা করতে পারছেন না তারা।
নিহত মোহাম্মদ কালুর স্ত্রী শাহানা আহাজারি করতে করতে জানান,গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় শেষবারের মতো তার সাথে কথা হয়। তখনও তিনি ছিলেন স্বাভাবিক। সকালে শুনতে পাই উনার মরদেহ খাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। চাকুরীর সুবাদে কক্সবাজার শহরেই অবস্থান করছিলেন তিনি। তবে কেনো খুরুস্কুলের খালে তার মরদেহ পাওয়া গেলো এ বিষয়ে তিনিও কিছু ধারণা করতে পারছেন না জানান। বিষয়টি কালু যে হোটেলে চাকুরী করতো সে হোটেলের মালিক পক্ষ জানতে পারে, কখন কালু সেখান থেকে বেরিয়েছে, কি বলে বেরিয়েছে ?
তবে কালু যে হোটেলে চাকরি করতেন সেই হোটেলেটির নাম বলতে চাননি তার স্ত্রী।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সাহাব উদ্দিন জানান, নিহত কালু তার এলাকায় বসবাস করলেও সে পাশ্ববর্তী ইসলামাবাদ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড হরিপুর এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।
লাশ উদ্ধারকারী কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই সঞ্জীব কুমার পাল জানান, মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যানি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে জানা যাবে । তবে মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন নেই বলে জানান।
প্রসঙ্গত উদ্ধারস্থলের ইউপি সদস্য খুরুস্কুল ইউপির ৩নং ওয়ার্ড মেম্বার জানে আলম জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে খুরুস্কুল-চৌফলদন্ডি ব্রিজ লাগোয়া পল্লনখালী খালে মরদেহটি ভেসে আসে। মরদেহের পরনে ছিল লাল ও কালু রংয়ের হুডি আর কালো প্যান্ট। স্থানীয়রা জাতীয় সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে সদর থানার এস আই সঞ্জীব কুমার পালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মরদেহটি উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যায়।

















