
লংগদু প্রতিনিধি:
লংগদু উপজেলায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি খুবই ভালো। এ সম্প্রীতি যাতে বিনষ্ট না হয় তার জন্য সকলকে সচেষ্ট থাকতে হবে। সম্প্রীতি বিনষ্টকারী সে যেই হোক তাকে ছাড় দেওয়া হবেনা। যেখানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হবে, সেখানেই নিরাপত্ত বাহিনীর হস্তক্ষেপ থাকবে। সন্ত্রাসীরা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্থ করে। তাই, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজদের প্রতিহত করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
শনিবার, লংগদু সেনা জোনের উদ্যোগে জোন সদরে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান (এসইউপি, পিএসসি) এসব কথা বলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন, লংগদু জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল আব্দুল আলীম চৌধুরী (পিএসসি)।
সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, লংগদু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মো. জানে আলম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. নাছির উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাইনীমুখ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক সরকার।
এছাড়া জোনের বিভিন্ন সেনা কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যানগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি ও গণ্যমান্যব্যক্তিগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় প্রধান অতিথি রিজিয়ন কমান্ডার মীর মুশফিকুর রহমান বক্তব্যে আরও বলেন, আমি আশাকরি আপনারা সকলে মিলেমিশে কাজ করবেন এবং জোনকে সহযোগিতা দিবেন। একত্রে থাকতে গেলে সামান্য ভুল বুঝাবুঝি হতে পারে। এটাকে পুঁজি করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হওয়ার কোন কারণ নাই। কিন্তু এগুলো করার পিছনে কিছু লোক থাকে যারা সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। তারা ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করতে চায়। কিন্তু এটা কোন সুফল বয়ে আনবেনা।
তিনি বলেন, একটা বড় ধরণের ঘটনা আপনাদের দশ বছর পিছনে ফিরে নিয়ে যাবে। সেটা যেন না হয়। আপনাদের অনেক গুরু দায়িত্ব আছে সুন্দর একটা লংগদু উপজেলা উপহার দিয়ে যাওয়া।
শেষে রিজিয়ন কমান্ডার গরীব লোকজনদের মাঝে শীতকম্বল, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এরপর তিনি জোনের উদ্যোগে পরিচালিত কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং শেষে গ্রামার স্কুলের ভবন নির্মাণের জায়গা দেখেন। জোনের এ উদ্যোগের জন্য তিনি জোন কমান্ডারের প্রশংসা করেন।