এমপি জাফর আলমের পক্ষ থেকে চকরিয়া ও পেকুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫০টি সুরক্ষা সরঞ্জাম পিপিই প্রদান

fec-image

বৈশ্বিকভাবে ছড়িয়ে পড়া মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আগত রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারীদের জন্য সুরক্ষা সরঞ্জাম তথা পিপিই দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার-১ আসনের এমপি জাফর আলমের পক্ষথেকে হাসপাতালের জন্য এসব সুরক্ষা সরঞ্জাম দেওয়া হয়।

সোমবার দুপুরের দিকে ডাক্তারদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত পৃথক বৈঠক শেষে এসব পিপিই হস্তান্তর করা হয়। এমপির নিজস্ব তহবিল থেকে চকরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩০টি এবং পেকুয়ায় ২০টি পিপিই হস্তান্তর করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শাহবাজ, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বিধান কান্তি রুদ্র, পেকুয়ার স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ছাবের, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মুজিবুর রহমান, পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামরুল আজম প্রমুখ।

জানা গেছে, ইতোপূর্বে এমপি জাফর আলমের জামাতা বুয়েটের সহকারী অধ্যাপক আমান উদ্দিন সুমন আরো ২০ পিস পিপিই এবং হ্যান্ড গ্লাভস চকরিয়ার ইউএনও নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমানের হাতে তুলে দেন। বুয়েট অধ্যাপক সুমনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুয়েটিয়ান ও সনোটেক্স গ্রুপ এসব পিপিই ও গ্লাভস বরাদ্দ দেন চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের জন্য।

এ ছাড়াও মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, ডাইসিন সেম, ইনভয়েজ টেকনোলজি, স্বপ্ন-সারথী, রক্ষী, বুয়েট এর সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের সৌজন্যে ১৫ লিটার হ্যান্ড স্যানিটাইজারও প্রদান করা হয়।

অপরদিকে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী-সামাজিক সংগঠন স্বাধীন মঞ্চ ও পিস ফাইন্ডারের পক্ষথেকে দুই উপজেলার সরকারি হাসপাতালের জন্য ৩০০ পিস (১২০ মি.লি) হ্যান্ড  স্যানিটাইজার সরবরাহ করে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলম বলেন, এতদিন ধরে দুই উপজেলায় সরকারি দুই হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্সরা নিজেদের সুরক্ষা সরঞ্জাম নিয়ে হতাশায় ছিলেন। আমি সেই হতাশা দূর করেছি, যাতে চকরিয়া ও পেকুয়ার কোন রোগী চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হন।

আগত রোগীরা চিকিৎসা না পেয়ে ফেরত যাওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখন আর রোগী ফেরত দেওয়ার সুযোগ নেই। যেহেতু সুরক্ষা সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে, সেহেতু কোনো রোগীকে ফেরত দিয়েছেন শুনলেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। কোনো অবস্থাতেই চিকিৎসা বঞ্চিত করা যাবে না সেবা নিতে আসা রোগীকে।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 × three =

আরও পড়ুন