parbattanews

কক্সবাজারে জুলাইযোদ্ধা ও ছাত্রদল নেতা হত্যার মুল অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

কক্সবাজারে ছুরিকাঘাতে জুলাইযোদ্ধা ও ছাত্রদল নেতা খোরশেদ আলম হত্যার ঘটনায় মুল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ হত্যায় তিনটি কারণকে সমানে রেখে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান।

বুধবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কবিতা চত্বর পয়েন্টে ছুরিকাঘাতে নিহত হন খোরশেদ আলম (২৬)।

তিনি কক্সবাজার শহরের পূর্ব পাহাড়তলী এলাকার শাহ আলমের ছেলে এবং জুলাই আন্দোলনের প্রথম সারি নেতৃত্ব দেয়াদের একজন। একই সঙ্গে। তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় ছিলেন।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে মোহাম্মদ তারেক (২৬) প্রকাশ কাকা তারেককে। তারেক কক্সবাজারের রামু উপজেলার খোন্দকার পাড়ার মোজাম্মেল হকের ছেলে।

কক্সবাজার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে  পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে জুলাই আন্দোনের নারী সমন্বয়ক তারিন সুলতানাকে সাথে নিয়ে খোরশেদ আলম ঘুরতে কবিতা চত্বর গেলে র্দূবৃত্তের ছুরিকাঘাতে আহত হন। তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছে, পেটে ও পায়ে ছুরিকাঘাতে খোরশেদের মৃত্যু হয়।

খোরশেদ মৃত্যুর পর নারী সমন্বয়ক তারিনকে সাথে নিয়ে পুলিশ তথ্য সংগ্রহের কথা উল্লেখ করে পুলিশ সুপার জানান, তারিনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তারেককে শনাক্ত করে কৌশলে চকরিয়ার খুটাখালী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় তারিন আপাততে জড়িত বলে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশ সুপার বলেন, এ হত্যার নেপথ্যে ছিনতাই, পূর্বশক্রতা নাকি রাজনৈতিকভাবে পরিকল্পিত হত্যা এই তিনটি বিষয় সামনে রেখে তদন্ত চলছে।

এদিকে খোরশেদ আলমের ময়নাতদন্ত শেষে আসরের নামাজের পর জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখেনো মামলা হয়নি। প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

Exit mobile version