সীমান্তবর্তী এলাকায় ‘করোনার’ ঝুঁকি কম

করোনা প্রতিরোধে রাঙ্গামাটির প্রস্তুতি গ্রহণ

fec-image

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে রাঙ্গামাটিতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জনসাধারণকে জনবহুল এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আইসোলেশন ইউনিট স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাঙ্গামাটি সিভিল সার্জন ডাঃ বিপাশ খীসা।

তিনি আরো বলেন, রাঙ্গামাটিতে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের পরিচর্যায় রাঙ্গামাটি শহরে ১০৫ শয্যার আইসোলেশন (পৃথক করে রাখা) ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এছাড়াও ৯ টি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেগুলোতে ২টি করে ১৮টি শয্যার আইসোলেশন (পৃথক করে রাখা) ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম মজুদ রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদকে প্রধান করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এতে রাঙ্গামাটি আসনের সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমাসহ দু’জনকে উপদেষ্টা রাখা হয়েছে।

এছাড়াও করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ও করণীয় রাঙ্গামাটিতে ‘করোনা’ বিষয়ক কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। চাইলে যে কেউ ০৩৫১৬২১১৪,০১৭১৫৫৩০৮৩৭ নাম্বারে ফোন করতে পারবেন।

করোনাভাইরাসকে ভয় না পাওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সকলের সহযোগিতা ও সচেতনতা অত্যন্ত জরুরী। তাই গুজবে কান না দিয়ে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদফতর কর্তৃক প্রচারিত বার্তা সকলকে অনুসরণ করার জন্য পরামর্শ দেন।

তিনি আরও বলেন, রাঙ্গামাটির উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় জনবসতি কম হওয়ায় করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: করোনাভাইরাস, জেলা প্রশাসক, রাঙামাটি
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two × one =

আরও পড়ুন