কুতুবদিয়ায় এক লাফেই সিলিন্ডারে বাড়তি ১২০ টাকা

fec-image

কুতুবদিয়ায় লকডাউনের শুরুতেই এলপি গ্যাসে এক লাফে দাম বেড়েছে প্রতি সিলিন্ডারে ১২০ টাকা। সরকারি দরের কোন তোয়াক্কাই করছেনা খুচরা ডিলার ও কোম্পানীগুলো। এলপি গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ লিটারের প্রতি সিলিন্ডারে ৮৯১ টাকা। অথচ গ্রাম পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে এখন ১১২০ টাকা। গত ৩ দিন আগেও ছিল যার দাম ৯৮০ বা এক হাজার টাকা।

উপজেলা গেইটে টাঙ্গাইল সুইট্স এর ম্যানেজার মিজানুর রহমান বলেন, তারা নিয়মিত গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে মিষ্টি তৈরি করে থাকেন। বৃহস্পতিবারেও প্রতি সিলিন্ডার এলপি গ্যাসের দাম ছিল এক হাজার টাকা । হঠাৎ লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেই এগার‘শ বিশ টাকা বিক্রি করছেন খুচরা বিক্রতারা। সরকারি রেটের চেয়ে দু‘শ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে উপজেলার বিভিন্ন স্পটে। উত্তর একটাই কোম্পানী দাম বাড়িছে।

ধুরুং বাজারে বেশ কয়েকটি এলপি গ্যাস কোম্পানীর ডিলার শহিদুল ইসলাম জানান, কোম্পানী সিলিন্ডার প্রতি ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকা বাড়তি নিচ্ছেন। আমাদেরও একই ভাবে সিলিন্ডার প্রতি বাড়তি দাম নিতে হচ্ছে। সরকারি পরিবহণ খরচ ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হলেও দ্বীপ কুতুবদিয়ায় পরিবহণ খরচ দাঁড়ায় প্রায় চার গুণ। তবে সে হিসেবে তারা বাড়তি খরচ নেননা গ্রাহকদের কাছ থেকে। আগের চেয়ে এলপি গ্যাসের চাহিদা বেড়েছে কয়েকগুণ। তবে কোম্পানীরা সরকারি রেটের সাথে মিল রেখে তাদের গ্যাস সরবরাহ না দেয়ার কথাও জানান তিনি।

একই বাজারে মেসার্স ধুরুং স্টোরের সত্বাধীকারি জ্বালানি ও এলপিজি ডিলার এম. মন্জুর আলম বলেন, সব ক‘টি এলপিজি কোম্পানী সিলিন্ডার প্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকা বৃদ্ধি করেছে। কাজেই একই সাথে তাদের বাড়তি দাম নিতে হচ্ছে। সরকারি রেটে তারা কোম্পানীর কাছ থেকে নিতে পারেননা বলেও জানান তিনি।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, উপজেলায় খুচরা এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে যত্র-তত্র রাস্তার পাশেই। নিয়ম তোয়াক্কা নেই। একেক দোকানে একেক দাম। সরকারি মনিটরিং থাকলেও তা অপ্রতুল। নিয়মিত মনিটরিং হলে গ্যাস বিক্রিয়ে শৃঙ্খলা সহ দামের বাড়তি খরচও কমে আসবে বলে মনে করেন গ্রাহকরা।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

five × one =

আরও পড়ুন