কুতুবদিয়ায় করোনায় স্বাস্থ্যবিধি `ডোন্ট কেয়ার’

fec-image

কুতুবদিয়ায় স্বাস্থ্যবিধি পালনে “ডোন্ট কেয়ার” ভাব সাধারণ লোকের মাঝে। মহামারি কিংবা ভারতীয় ভয়ংকর ভ্যারিয়েন্ট যে জাতের করোনাই হোক গুরুত্ব পাচ্ছেনা। এক বছরের বেশি সময় ধরে সরকারি নির্দেশনা পালন করতে করতে হাঁপিয়ে উঠছে যেন খেটে খাওয়া মানুষগুলো। যানবাহন দূরের কথা, যেখানেই যাতায়াত, মানুষের ভীড়েও ন্যূনতম মাস্কের ব্যবহারটি কমে যাচ্ছে। বিশেষ করে দ্বীপ উপজেলায় স্বাস্থ্য বিধি পালনে গুরুত্ব, করোনা টেস্ট, ভ্যাকসিন গ্রহণে কমে যাচ্ছে আগ্রহ।

ধুরুংবাজারে ষাটোর্ধ বৃদ্ধ জামাল হোসেন মাস্ক না পরার বিষয় জানতে চাইলে যেন আকাশ থেকে পড়লেন-কিসের মাস্ক? কিল্লা? আঁরা করোনা ন‘চিনি। ইন্ সাবর লাই। পাশেই আরেক জন বলেই দিলেন- করোনা মরোনা কিছুইনা। গরীব মারার কল। এ ভাবেই বাস্তবায়িত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি।

হাসপাতালের ইপিআই টেকনিশিয়ান সৈয়দ কামরুল হাসান বলেন, গত দু‘দিনে করোনা টেস্টে কেউ নমূনা দিতে আসেনি। তার আগের দিন নমূনা ছিল মাত্র ২টি। টিকা গ্রহণে দ্বিতীয় ডোজ অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

স্বাস্থ্য বিভাগের করোনা প্রতিরোধ কমিটির প্রধান আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রেজাউল হাসান জানান, উপজেলায় এ পর্যন্ত নমূনা দিয়েছেন ৯২৯ জনে। পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে ১০০ জনের। সবাই সুস্থতা লাভ করেছেন। করোনা প্রতিরোধে ভ্যাকসিন গ্রহণ করছেন ৪০৮৩ জন। নজরুল ইসলাম নামের সর্বশেষ করোনায় আক্রান্ত হন গত বিশ দিন আগে। এরপর আর কেউ আক্রান্ত হয়নি উপজেলায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, কোনভাবেই স্বাস্থ্য সচেতনায় আনা যাচ্ছেনা মানুষকে। মাত্র এক‘শ টাকায় করোনা টেস্ট, গরীবের জন্য তাও ফ্রি। তবুও আসছেনা আর কি করি“। তিনি আরো বলেন, সাবধানতার মার নেই। নিজের সুরক্ষায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাই সব নাগরিকের জন্য এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: করোনা
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

nine + 13 =

আরও পড়ুন