parbattanews

খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনায় ইউপিডিএফ’র ২ সদস্য নিহত, আটক ১, অস্ত্র উদ্ধার

খাগড়াছড়ির রামগড় ও দীঘিনালায় পৃথক ঘটনায় ইউপিডিএফের (মূল) ২ সদস্য নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত অবস্থায় একজনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। ঘটনাস্থল থেকে একে ৪৭ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে রামগড় উপজেলার প্রেমতলা নামক এলাকায় সেনাবাহিনীর সাথে ইউপিডিএফ সদস্যদের সাথে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ববিন ত্রিপুরা নামে এক ইউপিডিএফ সদস্য ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।

এ সময় মংসানু মারমা নামে অপর এক ইউপিডিএফ আহত হন। তাকে আহত অবস্থায় আটক করেছে সেনাবাহিনীর সিন্দুকছড়ি জোনের সদস্যরা। ঘটনাস্থল থেকে একটি একে ৪৭ অস্ত্র উদ্ধার করা হয় বলে জানায় নিরাপত্তা বাহিনী।

রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানায়, সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামগড়ের সীমান্তবর্তী প্রেমতলা এলাকায় অভিযানে যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ইউপিডিএফ সদস্যরা গুলি ছুড়ঁলে আত্মরক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। এতে একজন নিহত হয়। আহত হয় আরও একজন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সিন্দুকছড়ি সেনা জোনের অধিনায়ক।

এ ঘটনায় ইউপিডিএফ’র প্রচার বিভাগ থেকে এক বিবৃতিতে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংগঠনটির জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা এ ঘটনাকে হত্যাকান্ড দাবি করেন। তিনি বলেন, ইউপিডিএফের দুই সদস্য সেখানে সাংগঠনিক কাজ অবস্থান করছিলেন।

এদিকে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়ার মুড়োপাড়া এলাকায় জেএসএস ও ইউপিডিএফ’র মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। দুপুর পৌণে ১ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সুজন চাকমা নামে এক ইউপিডিএফ সদস্য নিহত হয়েছে। তিনি কবাখালী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের তারাবন্যা গ্রামের বাসিন্দা।

জেএসএস সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলায় সুজন চাকমা নিহত হয় বলে দাবি ইউপিডিএফের।

দীঘিনালা থানা পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

Exit mobile version