ত্রিবিদ রায়ের কারণে যদি চাকমা জনগোষ্ঠীকে যদি মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী বলা যায়, তাহলে গোলাম আযমের কারণে গোটা বাংলাদেশের মানুষকে আজ বাংলাদেশবিরোধী বলতে হবে। যে ব্যক্তি জুমা তার যে প্রার্থীতা তা অবশ্যই খারিজ করতে হবে।
আপনাদের উচিত যে ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধকে আক্রান্ত করেছে, তার প্রার্থীতা বাতিল করা। যদি ত্রিবিদ রায়ের কারণে যদি চাকমা জনগোষ্ঠীকে যদি মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী বলা যায়, তাহলে গোলাম আযমের কারণে গোটা বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী বলতে হবে।
যে ব্যক্তি জুমা মুক্তিযুদ্ধের যে চেতনা, এই চেতনাকে আক্রান্ত করেছে, তার প্রার্থীতা তা অবশ্যই বাতিল করতে হবে। এই বক্তব্য স্পষ্ট মুজিবাদী বয়ান, যারা মুজিববাদী বয়ান ফিরিয়ে আনছে, মুজিববাদী বয়ান স্থাপন করছে, তাদেরকে আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করি।
কথা খুব সহজ, এই চক্রান্ত যে, সে চক্রান্ত শুধু মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে এমন নয়, জামায়াতের যে গণহত্যার ইতিহাস, সে ইতিহাসকে খর্ব করার বা নগ্ন করে তোলার জন্য তা-ই নয়, সেই ইতিহাস একই সঙ্গে জাতিবিদ্বেষী। আপনারা ইতিমধ্যে মোজাম্মেলের বক্তব্য থেকে জানলেন, চাকমাদের মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা কী ছিল, পিকিংপন্থি কমুনিষ্টদের মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা কী ছিল।
আমাদের মাঝে বাঙালি বাদে নানা জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি রয়েছেন, আমাদের একজন সদস্য হেমা চাকমা, চাকমা জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করছেন।
