বেইজিং সফরে চীনের সঙ্গে ‘চমৎকার বাণিজ্য চুক্তি’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র আশা করছে, আগামী তিন বছর ধরে প্রতি বছর চীন তাদের কাছ থেকে হাজার কোটি ডলারের কৃষিপণ্য কিনবে।
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার জানান, সফরের পর দুই দেশের মধ্যে কৃষিপণ্য কেনাবেচা জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতি বছর ‘ডাবল-ডিজিট বিলিয়ন’ ডলারের কৃষিপণ্য কেনা হতে পারে, যার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য ও কৃষিপণ্য থাকবে।
তবে সয়াবিন নিয়ে নতুন কোনো আলাদা চুক্তি হচ্ছে না। গত অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় হওয়া আগের সমঝোতাই বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন গ্রিয়ার।
এদিকে চীন আবারও মার্কিন গরুর মাংস আমদানির অনুমতি নবায়ন করেছে। গত এক বছরে যুক্তরাষ্ট্রের ৪০০টির বেশি মাংস প্রক্রিয়াজাত কারখানার রপ্তানি অনুমতি শেষ হয়ে গিয়েছিল। তবে ঠিক কতগুলো লাইসেন্স নবায়ন হয়েছে, তা পরিষ্কার করা হয়নি।
দুই দেশ প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলারের ‘অ-সংবেদনশীল’ পণ্য নিয়ে একটি যৌথ বাণিজ্য বোর্ড গঠনের বিষয়েও আলোচনা করছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই জনমত নেবে এবং এরপর চীনের সঙ্গে আরও আলোচনা হবে।
চিপ ইস্যুতে গ্রিয়ার বলেন, এনভিডিয়ার এইচ-২০০ এআই চিপ চীনে রপ্তানি করার অনুমতি দিলেও, চীন এখনো নিজেদের কোম্পানিগুলোকে এটি কেনার অনুমতি দেয়নি। এছাড়া এই বিষয়টি সাম্প্রতিক বৈঠকে আলোচনাতেও আসেনি।
বিরল খনিজ (রেয়ার আর্থ) রপ্তানি নিয়েও কিছু অগ্রগতি হয়েছে বলে জানান তিনি। গত বছরে করা চুক্তি অনুযায়ী চীন কিছুটা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে, যদিও কখনো ধীরগতিতে।
এই আলোচনা ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও স্থিতিশীল করতে সাহায্য করতে পারে।
