শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, পর্যায়ক্রমে দেশের জিডিপি’র পাঁচ শতাংশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
আজ ঢাকায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে চীন দূতাবাস ও ‘চায়না-বাংলাদেশ এডুকেশন অ্যান্ড কালচারাল এক্সচেঞ্জ এসোসিয়েশন’ আয়োজিত চায়না বাংলাদেশ এডুকেশন কোঅপারেশন ফোরাম এ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি একথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষাক্ষেত্রের উন্নয়ন করতেই হবে-এর কোনো বিকল্প নেই। এজন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করতে হবে। বর্তমান সরকার শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করেছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে সিলেবাস, কারিকুলাম এবং একাডেমিক ক্যালেন্ডার পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, শিক্ষার মান উন্নত করতে হলে শিক্ষকদের মানের উন্নয়ন ঘটাতে হবে। এজন্য আমরা চীনের সাথে যৌথভাবে সাধারণ ও কারিগরি শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমরা চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের সেতুবন্ধন আরো সুদৃঢ় করে চাই। সেই সেতুর মূল উপকরণ হবে শিক্ষা।
তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাই তাদেরকে দেশের নেতৃত্ব গ্রহণের জন্য যোগ্য হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।
ফোরামে শিক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ ও চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষা ও প্রযুক্তি বিষয়ক প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়।
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত Yao Wen এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মামুন আহমেদ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এবিএম বদরুজ্জামান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
