থানচিতে ২৪ ঘন্টায় নিখোঁজ পর্যটকের মৃতদেহ উদ্ধার

fec-image

বান্দরবানের থানচিতে নাফাঁখুম পর্যটন স্পটে ভ্রমনে গিয়ে রেমাক্রী খালে পারপার সময় খালে ডুবে নিখোঁজ হন পর্যটক। ২৪ ঘন্টার মধ্যে স্থানীয়দের সহযোগীতায় বিজিবি পুলিশ যৌথভাবে সেই পর্যটকের মৃতদেহ উদ্ধার করে।

রবিবার (৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টা ডুবে যাওয়ার স্থান থেকে ঐ পর্যটকের মৃতদেহ উদ্ধার করে তাঁর অভিভাবকদের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে ।

নাফাঁকুম পর্যটন কেন্দ্রে ঢাকা হতে ভ্রমন সংগী মোহাম্মদুর রহমান (৩০) ও তাঁর স্ত্রী ছিত্রাতুল মমতাহার মমিন (২৩) জানান শনিবার সকালে নাফাঁখুম পর্যটন কেন্দ্রের আওয়ামী লীগের নেতা শিমন ত্রিপুরা এর কটেজ হতে রেমাক্রী বাজারের উদ্দেশ্যে আসার পথে রেমাক্রী খালে সইগংয়ান নামক স্থানে খাল পারাপারের সময় আমরা দুইজনের পায়ের স্লিপ খেয়ে খালে পড়ে যায় তৎক্ষনিকভাবে মৃত কাজী জাকারুল ইসলাম কানন ৩৫, আমাদের উদ্ধার করে তিনি নিজেই খালে পানির স্রোতে ডুবে গিয়ে মারা যাওয়া ঘটনা আমাদের চোখের সামনে ছিল ।

থানচি থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুরদ্দিন আনোয়ার ,আইন শৃংঙ্খলা কমিটি সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আরিফুল হক মৃদুল যৌথ নেতৃত্বে থানচি থানা এস আই অনুপ দে, এ এস আই মিঠুন দাশ, কনস্টেবল ফেরদৌস , রববানিকে ঘটনাস্থলে নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে জন্য পাঠানো হয় ।

পরদিন রবিবার বেলা সাড়ে ১১টা অক্ষত অবস্থা মৃতদেহ উদ্ধার করে অভিভাবকের হাতে হস্তান্তর করা হয়। ৎ

এস আই অনুপ দে জানান, নাফাঁখুম যাওয়ার রাস্তায় রেমাক্রী খালে সইগংয়ান নামক স্থানে খাল পারাপার অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ। সুতরাং ঐ একটি স্থানে একটি ঝুলন্ত ব্রীজ নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। গত বছরে একজন চিকিৎসকও একইস্থানে পানিতে ডুবে মারা গেছে।

পানিতে ডুবে মারা যাওয়ার পর্যটক কাজী জাকারুল ইসলাম কানন (৩৫), বাবা কাজী জহিরুল ইসলাম ও মা সালমা বেগম দুইজনের চক্ষু বিশেষজ্ঞ। রাজধানি উত্তরায় একটি নিজস্ব ফ্লাট বাড়িতে থাকতেন তিনি।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: অফিসার ইনচার্জ, থানচি
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

16 − 11 =

আরও পড়ুন