
ওয়েলিংটনের ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়ামের উইকেট নিশ্চিত বোলারদের জন্য। না হয় আরব আমিরাতকে পেয়েও রানের বন্যা তেমন বইয়ে দিতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। যেভাবে পর পর দুটি চারশোর্ধ্ব স্কোর করেছিল, সে তুলনায় ৩৪১ রানকে মামুলিই বলা চলে।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত আরব আমিরাতের সামনে ৩৪১ রানের লক্ষ্যই ছুড়ে দিয়েছে প্রোটিয়ারা। আফসোস ডি ভিলিয়ার্সের জন্য। ৮২ বলে ৯৯ রানে আউট হয়ে গেছেন তিনি। মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরিটা পেলেন না। শেষ দিকে ঝড় তুলেছিলেন ফারহান বেহার্ডিয়েন। ৩১ বলে ৬৪ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি।
টস জিতে কেন দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানিয়েছে আরব আমিরাত, সেটা শুরুতে প্রমান করেছিলেন তাদের বোলাররা, দ্রুত দুই উইকেট তুলে নিয়ে। ১৭ রানে হাশিম আমলা এবং ৮৫ রানে কুইন্টন ডি কককে ফিরিয়ে দিয়েছে তারা। এরপর ৯৬ রানে তুলে নিয়েছে তৃতীয় উইকেটও। এ সময় আউট হন রিলে রুশো।
তবে ৯৬ রানে তিন উইকেট হারালেও এবি ডি ভিলিয়ার্স আর ডেভিড মিলার মিলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ঠিকই বড় সংগ্রহের পথে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে, ৪৮ বলে ৪৯ রান করার পর মোহাম্মদ নাভেদের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান ডেভিড মিলার।
এরপর জেপি ডুমিনিকে নিয়ে জুটি গড়েন ডি ভিলিয়ার্স। যদিও ২৩ রান করে আউট হয়ে যান ডুমিনিও।
আরব আমিরাতের পক্ষে ৬৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন মোহাম্মদ নাভেদ এবং ১টি করে উইকেট নেন কামরান শাহজাদ, আমজাদ জাভেদ ও মোহাম্মদ তৌকির।