দীঘিনালায় পাহাড়ের ঢালুতে সুমিষ্ট পান

fec-image

এই গ্রামে আগে কেউ পান চাষ করতো না। আমিই প্রথম জুম চাষের পাশাপাশি পান চাষের উদ্যোগ নেই। এখন আমার দুটো পানের বরজ থেকে উৎপাদিত হচ্ছে পান। গত মঙ্গলবার সকালে পান উত্তোলন করার সময় এসব কথাগুলো বলেন, দীঘিনালা উপজেলার দুর্গম মিলন কার্বারী পাড়া গ্রামের বাসিন্দা পানচাষী নবীন কুমার ত্রিপুরা (৩৬)।

জানাযায়, দীঘিনালা উপজেলার সীমানা পাড়া এবং মিলন কার্বারী পাড়া এলাকায় পাহাড়ের ঢালতে নবীন কুমার ত্রিপুরার কাছ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেকেই পান চাষ করেন। বর্তমানে এসব গ্রামে ২০টির অধিক পানের বরজ রয়েছে। এসব বরজের পান সুমিষ্ট হওয়ায় জেলা সদর সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যাচ্ছেন, স্থানীয় পাইকাররা। প্রতি বিড়া ছোট পান ১৪ টাকা, মাঝারি পান ১৮ টাকা এবং বড় পান ৪০ টাকা দরে কিনে নেন।

এসময় নবীন কুমার ত্রিপুরা আরও জানান, ২০১৬ সালে আমি বিনয় ত্রিপুরা নামে একজনের নিকটে পান চাষ আয়ত্ব করি। পরে আমি ২০১৯ সালে পান চাষ শুরু করি। এখন আমার স্ত্রী রনিকা ত্রিপুরাসহ (৩৩) দুজনেই পানের বরজ পরিচর্যা করি। তিনি আরও জানান, আমার দুটো পানের বরজ থেকে প্রায় দুই লক্ষ টাকার পান বিক্রি আসবে।|

অপর পান চাষী স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য হতেন মেম্বার জানান, নবীন কুমার ত্রিপুরার দেখে আমিও একটি বরজ করেছি। এবরজ থেকে পান উৎপাদন শুরু হয়েছে।

এব্যাপারে সীমানা পাড়া এবং মিলন কার্বারী পাড়া গ্রামের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অসীম চাকমা জানান, সীমানা পাড়া এবং মিলন কার্বারী পাড়া গ্রামে পাহাড়ের ঢালুতে উৎপাদিত হচ্ছে সুমিষ্ট পান। উৎপাদন ভালো হওয়ায় দেখাদেখি অনেকেই চাষ করছেন।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

eighteen − 4 =

আরও পড়ুন