parbattanews

দুর্গত মানুষের পাশে সরকার সবসময় রয়েছে : পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, দুর্গত মানুষের পাশে সরকার সবসময় রয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) দিনগত রাতে রাঙামাটি শহরের দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের জন্য খোলা আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এমপি মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর তাঁর সরাসরি নির্দেশনায় রাঙামাটির জন্য ৫০০ মেট্রিক টন, খাগড়াছড়ির জন্য ৪০০ মেট্রিক টন এবং বান্দরবানের জন্য ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হবে। খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তবে দুর্গত মানুষের জন্য নগদ সহায়তারও প্রয়োজন রয়েছে, সরকার সে বিষয়েও উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশাসন যখন আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বলছে, তখন কেউ যেন সেটিকে অবহেলা না করেন। অনেক সময় সতর্কবার্তা অমান্য করার কারণেই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খাবার, বিশুদ্ধ পানি, স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার অনুরোধ জানান তিনি।

মীর হেলাল বলেন, সরকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকার। জনগণের সেবা করাই আমাদের দায়িত্ব। দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার, জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং অন্যান্য সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ত্রাণ, উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

তিনি গণমাধ্যমের প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলেন, “জনগণকে সচেতন করতে আপনাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে উৎসাহিত করুন। মানুষের জীবন রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

এর আগে সরকারের এ প্রতিমন্ত্রী ওইদিন রাতে চট্টগ্রাম থেকে রাঙামাটি শহরে এসে শহরের ভেদভেদী এলাকায় বন্যা ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য খোলা আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং সেখানে আশ্রয় নেওয়া মানুষের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী ও খাবার বিতরণ করেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

Exit mobile version