ধ্বংসস্তূপে মিলছে এখনও প্রাণের সন্ধান, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে এরদোগান

fec-image

চোখ যে দিকে যায় চারদিকে শুধু বিধ্বস্ত ভবনের ধ্বংসাবশেষ। ভূমিকম্পের তৃতীয় দিনেও প্রাণের সন্ধানে জোরদার অভিযান চলছে। এজন্য সময়ের সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে উদ্ধারকর্মীদের।

সময় যত অতিক্রান্ত হচ্ছে, জীবিত মানুষ উদ্ধারের প্রত্যাশা ততই ফিকে হয়ে যাচ্ছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, বিশ্বের অন্তত ৬০টি দেশের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হচ্ছে।

সোমবার (৬ ফেব্রুবার) ভোররাতে সিরিয়া ও তুরস্কের মানুষ যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, ঠিক তখন তাদের ওপর আসড়ে পড়ে ৭ দশমিক ৮ মাত্রা শক্তিশালী ভূমিকম্প। বিগত এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৬ হাজার ছাড়িয়েছে।

তুর্কি সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এবং কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, ভূমিকম্পে নিহতদের মধ্যে ১২ হাজার ৩৯১ জন তুরস্কের। দেশটিতে আহত হয়েছেন প্রায় ৬৩ হাজার মানুষ। অপরদিকে সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা প্রায় তিন হাজার।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ হাজার হাজার বিধ্বস্ত ভবনের নিচে এখনও কত মানুষ আটকা পড়ে আছে, তার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই।

এদিকে তুর্কি নেতা এরদোগান বুধবার দেশটির সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা দক্ষিণাঞ্চল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি বলেন, আমরা আগামী এক বছরের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ১০টি প্রদেশ পুনর্গঠন করব। যেমনটা আগের ভূমিকম্পের সময় করা হয়েছিল।

জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। আমরা কাউকে আশ্রয়হীন রাখব না। আমরা হোটেলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছি, সেখানে আপনার থাকার ব্যবস্থা করা হবে। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য জরুরি সহায়তার ঘোষণা দেন তিনি।

অপরদিকে দক্ষিণাঞ্চলে উদ্ধারকারী দল পৌঁছতে যে বিলম্ব হয়েছে, সেটাও স্বীকার করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। এর আগে সময়মতো উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সহায়তা না পৌঁছায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন সেখানকার মানুষ।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: এরদোগান, ক্ষতিগ্রস্ত, ধ্বংসস্তূপ
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন