নাইক্ষ্যংছড়ি দুই হিফজছাত্রীকে কৌশলে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক আটক


বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় হিফজখানায় পড়ুয়া দুই কিশোরী ছাত্রীকে ফুসলিয়ে কক্সবাজার শহরে আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের অভিযোগে মো. আয়াত উল্লাহ নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আয়াত উল্লাহ হলেন রামুর কচ্ছপিয়ার মৌলভীর কাটা এলাকার ফেরদৌস আহমেদের ছেলে।
দায়েরকৃত মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, গত সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের রূপনগর ব্রিজ এলাকার পাকা সড়কে কিশোরী দুই ছাত্রীকে একা পেয়ে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে করে প্রথমে নিজের বাসায় পরে কক্সবাজার শহরের বাণিজ্য মেলায় নিয়ে যায়। মেলা শেষে তাদের বাড়ি পৌঁছে না দিয়ে নিয়ে যায় এক আবাসিক হোটেলে। পরে রাত ২টার দিকে তাদের জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। বাধা দিলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।
এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে মো. আয়াত উল্লাহর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়।এ ঘটনায় গতকাল আয়াত উল্লাহকে আটক করা হয়।
ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত আয়াত উল্লাহকে আটক ও ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শোভন কুমার সাহা ও নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি (তদন্ত) একরামুল হক। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।


















