নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে আরাকান আর্মির ফাঁকা গুলি

fec-image

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের দক্ষিণ পয়েন্টে দুই বিদ্রোহী গ্রুপের তোতারদ্বীপ নামের ছোট্ট একটি দ্বীপ দখল নিয়ে ৪ দিন ধরে সংঘর্ষে হতাহতের রেশে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের বিপরীতে ওপারে ব্যাপক ফাঁকা গুলি চালায় আরকান আর্মি (এএ)।

সীমান্ত পিলার ৪২ নম্বর পয়েন্ট নিকুছড়ি থেকে ৫৪ নম্বর পয়েন্টে তারগু ছড়া পর্যন্ত অন্তত ৪০ কিলোমিটার এলাকার ৩০ পয়েন্টে এ গোলাগুলির আওয়াশ আসে মিয়ানমার অংশ থেকে।

একাধিক সুত্র জানান, রোববার (১১ জানুয়ারি) ভোর থেকে সকার ৮টা পর্যন্ত সীমান্তের ৪২ নম্বর পিলার থেকে ৫৪ নম্বর সীমান্ত পিলার পর্যন্ত এলাকায় এ আওয়াজ ভেসে আসে বাংলাদেশী সীমান্ত গ্রামে। যার দুরত্ব অন্তত ৪০ কিলোমিটার।

সুত্র মতে,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরের চাকঢালা পয়েন্টের চেরারমাঠ তথা ৪২ ও ৪৩ নম্বর পিলারের বিপরীত থেকে আসা আওয়াজ শুনেন এলাকার সাবেক ইউপি মেম্বার ফরিদুল আলম। তিনি বলে রোববার ভোর এসব এলাকা হয়ে বড়বড় আওয়াজ আসে তার বাড়ি এলাকায়।

অপর দিকে রাশেদুল ইসলাম নামের এক সীমান্তবাসী বলেন, সীমান্তের ৫৪ নম্বর পিলার এলাকায় ব্যাপক গোলাগুলির আওয়াজ হয়েছে তিনি জেনেছেন।

৫০ নম্বর সীমানবতের অধিবাসী আবদুল করিম জানান, তার এলাকায় স্থলমাইনের আওয়াজ তিনি নিজ কানে শুনেছেন।

নিকুছড়ি সীমান্তের বসবাসকারী অংক্য তঞ্চঙ্গা বলেন, রোববার সকাল তার গ্রামের বিপরীতে মিয়ানমার অংশে ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে।

এভাবে সীমান্তের ৪০ কিলোমিটার এলাকায় পৃথক সময় ৫/৬ ঘণ্টার ভেতরে এ গোলাগুলি হয়।

এ বিষয়ে ৩৪ বিজিবি অধিনায়কের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইলে সংযোগ পাওয়া না যাওয়ায় তার বক্তব্য দেয়া সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি থেকে অদ্য ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত ৩ দিন ধরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের টেকনাফ সীমান্তের ওপারে তোতারদ্বীপ দখলকে কেন্দ্র করে বিদ্রোহী আরকান আর্মি ও আরসা গ্রুপের মধ্য ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে।

এ সংঘর্ষের জের ধরে পুরো সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ রাখা আরকান আর্মি প্রতিপক্ষের হামলা আতংকে ফাঁকা গুলি ছুটছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র নিশ্চিত করে।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: নাইক্ষ্যংছড়ি
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন