নারী কাবাডি বিশ্বকাপের বাংলাদেশ দলে সুচরিতা চাকমা ও মেবি চাকমা


আন্তর্জাতিক নারী কাবাডি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলে ১৪ জন খেলোয়ারের মধ্যে ২ জন পাহাড়ি মেয়ে স্থান পেয়েছেন। তাছাড়া এই দলে স্ট্যান্ডবাই খেলোয়াড় হিসেবে রয়েছেন আরো একজন চাকমা মেয়ে।
জানা যায়, আন্তর্জাতিক নারী কাবাডি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন পাহাড়ি মেয়ে মেবি চাকমা এবং সুচরিতা চাকমা। স্ট্যান্ডবাই খেলোয়াড় হিসেবে রয়েছেন লুম্বিনী চাকমা।
বাসস’র খবরে বলা হয়, নারী কাবাডি বিশ্বকাপের জন্য ১৪ সদস্যের বাংলাদেশ দল ঘোষণা করেছে কাবাডি ফেডারেশন। দলের অধিনায়ক মনোনীত হয়েছেন অভিজ্ঞ রূপালী আক্তার।
এই আসর সম্পর্কে জানা যায়, মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে নারী কাবাডি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আসর ১৭ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এবং চলবে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত। এবারের আসরে বাংলাদেশসহ ১১টি দল অংশ নিচ্ছে। দলগুলো হলো- চাইনিজ তাইপে, ভারত, জার্মানি, ইরান, কেনিয়া, নেপাল, পোল্যান্ড, থাইল্যান্ড, উগান্ডা, জাঞ্জিবার ও স্বাগতিক বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ স্কোয়াড হলো- রূপালী আক্তার (অধিনায়ক), শ্রাবনী মল্লিক, বৃষ্টি বিশ্বাস, স্মৃতি আক্তার, রেখা আক্তারী, মেবি চাকমা, রূপালী আক্তার (জুনিয়র), আঞ্জুয়ারা রাত্রি, সুচরিতা চাকমা, খাদিজা খাতুন, লোবা আক্তার, ইয়াসমিন খানম, ইসরাত জাহান সাদিকা ও তাহরিম। স্ট্যান্ডবাই খেলোয়াড় : লুম্বিনী চাকমা ও আফরোজা।
আজ ১৯ নভেম্বর নিজেদের কাবাডিতে তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ বর্তমান বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ভারত। ১৮ নভেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার বিকেলে ‘এ’ গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে জার্মানির মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। গতকাল নারী কাবাডি বিশ্বকাপে নবাগত জার্মানিকে ৫৭-২৭ পয়েন্টে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে গতকাল প্রথমার্ধেই আধিপত্য দেখিয়ে ২৮-৯ পয়েন্ট এগিয়ে যায় স্বাগতিকেরা। দ্বিতীয়ার্ধে খানিকটা ছন্দপতন হলেও বড় জয় পেতে অসুবিধা হয়নি কোচ শাহনাজ পারভীনের দলের। প্রথম ম্যাচে গতকাল উগান্ডাকে ৪২-২২ পয়েন্টে হারিয়েছিল বাংলাদেশ।
১৭ নভেম্বর সোমবার মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে ১১ জাতি আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশ দুই লোনাসহ ৪২-২২ পয়েন্টে হারিয়েছে আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন উগান্ডাকে। প্রথমার্ধে বাংলাদেশ এগিয়ে ছিল ১৪-১২ পয়েন্টে।
জমজমাট উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষেই এদিন মাঠে নামে বাংলাদেশ। স্থানীয় স্কুল শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে গ্যালারি ছিল প্রায় পূর্ণ।



















