পানছড়ির এনজিও সংস্থা ইপসা’র লিপ্সা

fec-image

লকডাউনের মাঝে সরকারী নির্দেশনা উপেক্ষা করে কিস্তি আদায়ে লিপসা বাড়িয়ে দিয়েছে পানছড়ির এনজিও সংস্থা ইপসা। ছোট-খাট বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও নিম্ন আয়ের ঋণগ্রহীতারা তাদের চাপে পড়ে হিমশিম খাচ্ছে বলে অনেকের অভিযোগ।

ভুক্তভোগীদের দাবি লকডাউনের কারণে সংসার চালাতে যেখানে হিমশিম খেতে হচ্ছে সেখানে তার উপর আবার কিস্তির চাপ। পানছড়ির চৌধুরী পাড়া, দমদমসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ ইপসা’র কিস্তির চাপে অসহ্য হয়ে পড়েছে। চৌধুরী পাড়া এলাকায় ইপসার ম্যানজার নুরুল হক সুমন কিস্তি আদায়ে সহযোগিতা করতে নিজেই সরেজমিনে হাজির হন।

পার্বত্যনিউজের প্রতিবেদককে দেখে তিনি বলেন আমি মূলত: অডিট করতে এসেছি কিস্তি নিতে নয়। এ সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তোয়াক্কা না করে অডিটের ব্যস্ততা দেখান। কিস্তি আদায়ের ব্যাপারে ইপসার ম্যানজার নুরুল হক সুমনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দু’এক পরিবার কিস্তি দিবে বলেছে তাই আমার লোক হয়তো গিয়েছে। অথচ গ্রাহকদের বাড়ি গিয়ে কিস্তি আদায়ে চাপ প্রয়োগের কথা অনেকে জানিয়েছে।

ইপসা ম্যানেজার আরও বলেন, আমার এরিয়া ম্যানেজার কিস্তি আদায়ের কথা বলেছেন। লিখিত বলেছে নাকি মৌখিক বলেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন মৌখিকভাবে বলেছে। করোনার প্রথম মহামারীর সময়েও সরকারী নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়েছিল এই ম্যানেজার। বিভিন্ন শহর ফেরা মানুষগুলোকে প্রশাসন যখন কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করেছিল তখন এই ম্যানেজার রাতের অন্ধকারে শহর থেকে পানছড়ি প্রবেশ করে চোর-পুলিশ খেলেছিল। যা বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছিল।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

sixteen − 12 =

আরও পড়ুন