খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলার ১নং লোগাং ইউপির লোগাং বাজারের কাজি মো. সিরাজুল ইসলাম ও হালিমা খাতুনের সর্বকনিষ্ঠ মেয়ে শারমিন। সে প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছিল লোগাং বাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে।
পরবর্তীতে তার বড় ভাই কাজী হারুণের হাত ধরে লেখাপড়ার উদ্যেশ্যে পাড়ি জমায় কুমিল্লা শহরে। কুমিল্লা রেসিডেন্সশিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ভালো ফলাফল করেই ২০১৩ সালের জেএসসি’তে লাভ করে জিপিএ-৫। অবশেষে একি বিদ্যালয় থেকে এবারের এসএসসি’তেও লাভ করে জিপিএ-৫।
লোগাং বাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও লোগাং বাজারের বাসিন্দা মিলন সাহা জানান, ট্রিপল জিপিএ-৫ পাওয়া লোগাং এলাকায় এই প্রথম। শারমিনের এ ফলাফলে লোগাংবাসী গর্বিত বলে তিনি জানান।
বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী শারমিন জানায়, সে ভবিষ্যতে ডাক্তার হয়ে নিজ এলাকাসহ দেশের গরীব দু:খী মানুষের সেবা দিতে চায়। তাছাড়া বড় ভাই হারুণের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণার ফলে কাঙ্খিত ফলাফল এসেছে বলেও জানায়। কুমিল্লা ইস্পাহানী স্কুল এন্ড কলেজ অথবা ইবনে তাহমিয়া স্কুল এন্ড কলেজে এইচএসসিতে ভর্তি হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তার। তার মা-বাবারও ইচ্ছা সে একজন নামকরা ডাক্তার হোক।
