পায়ে শিকল পরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রী উম্মে সালমা (২৯) কে নিজ ঘর থেকে গভীর রাতে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
যদিও বা পরিবারের দাবি, তাদের কন্যা মানসিক রোগী হওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে নিরুপায় হয়ে তারা এমন করতে বাধ্য হয়েছেন।
তরুণীকে উদ্ধার করে প্রথমে থানা হেফাজতে নিয়ে আসা হয় এবং সেখান থেকে পরে পুলিশ হেফাজতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে কক্সবাজারে ঈদগাঁও থানাধীন জালালাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ পালাকাটা গ্রামে। উদ্ধারকৃত তরুণী উক্ত এলাকার নুরুল আলমের কন্যা।
সোমবার (২২ মার্চ) দিবাগত গভীর রাত আড়াইটার দিকে পুলিশ নিজ ঘর থেকে শিকল পরা অবস্থায় এ তরুণীকে উদ্ধার করেন।
ঈদগাঁও থানার ওসি এটিএম সিফাতুল মাজদার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বন্দীদশা থেকে এ তরুণী মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের সাবেক ঢাবি শিক্ষার্থীদের একটি পেইজে ছবি পাঠিয়ে তাকে উদ্ধারের জন্য ঢাকাস্থ তার সহপাঠীদের নিকট সাহায্য চান। সহপাঠীরা এ অবস্থা দেখে তড়িৎ ঢাকাস্থ প্রশাসনকে অবগত করলে ওখান থেকে ঈদগাঁও থানাকে অবহিত করা হয়। পাশাপাশি ঈদগাঁওস্থ ঢাবি শিক্ষার্থী আহসানকেও বিষয়টি জানালে ঈদগাঁও পুলিশ তাকে নিয়ে মেয়েটিকে তার ঘরের রুম থেকে শিকল পরা অবস্থায় উদ্ধার করেন।
তিনি আরো জানান, পরিবারের সদস্যরা তাদের মেয়েটি মানসিক ভাবে অসুস্থ দাবি করেন এবং চলমান চিকিৎসা পত্র দেখিয়েছেন এবং নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের এমন করতে হয়েছে জানান। তবে মেয়েটি তাকে অহেতুক বন্দী রেখেছে দাবি করেন।
ওসি জানান ,বিকালে মেয়েটিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে এবং পুলিশ প্রহরায় চিকিৎসক পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। পরে চিকিৎসকের সিদ্ধান্ত পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে । তিনি আক্ষেপ করে বলেন, মেয়েটির সাথে হাসপাতালে পরিবারের কোন সদস্য যাননি।
