বাংলাদেশের রাজনৈতিক এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পার্বত্য চট্টগ্রাম বরাবরই একটি সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি (কথিত শান্তি চুক্তি) এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসানের একটি ঐতিহাসিক প্রচেষ্টা হলেও, এর বাস্তবায়ন নিয়ে এখনো বিতর্ক ও জটিলতা বিদ্যমান।
দেশের বোদ্ধা মহলসহ অনেক গবেষক মনে করেন, চুক্তির আওতায় গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ বাংলাদেশের একক রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে কার্যত আরেকটি স্বায়ত্তশাসিত কাঠামো তৈরি করেছে, যা অনেক ক্ষেত্রে ভারতের অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রশাসনিক মডেলের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
এই ধারণাটি কেবল রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয় নয়, বরং দেশের সার্বভৌমত্ব এবং রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতার দৃষ্টিকোণ থেকেও গভীর বিবেচনার দাবি রাখে। আঞ্চলিক পরিষদ ইস্যুতে উচ্চ আদালতের দ্বারস্ত হলে বিষয়টি আমলে নিয়ে উচ্চ আদালতও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ অসাংবিধানিক ঘোষণা করে অবৈধ বলে রায় দেয়। যদিও তা পরে আপিল করা হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বা তথাকথিত শান্তি চুক্তির প্রেক্ষাপট ও আঞ্চলিক পরিষদের গঠন
দীর্ঘ দুই দশকের সশস্ত্র সংঘাতের পর পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসি জেএসএস) মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অধিকার ও সংস্কৃতি রক্ষা করা এবং তাদের জন্য একটি বিশেষ প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
এরই ধারাবাহিকতায় গঠিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ। এই পরিষদের উদ্দেশ্য ছিল পার্বত্য চট্টগ্রামের সামগ্রিক প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা এবং উন্নয়নমূলক কাজগুলো সমন্বয় ও তত্ত্বাবধান করা। এটি কেবল একটি প্রশাসনিক সংস্থা নয়, বরং এর গঠন এবং কার্যপরিধি বাংলাদেশের সাংবিধানিক কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিকতার এক নতুন বিতর্ক যোগ করে।
চুক্তি অনুযায়ী আঞ্চলিক পরিষদের প্রধান হলেন একজন উপজাতীয় ব্যক্তি, যিনি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পদটি উপজাতীয়দের জন্য সংরক্ষিত করা হয়। এখানে বলা বাহুল্য চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ের নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জাতিগুলোকে উপজাতি এবং বাঙালি জনগোষ্ঠীকে অ-উপজাতি হিসেবে পরিচয় দেয়া হয়েছে। ২২ সদস্যের এই আঞ্চলিক পরিষদে উপজাতীয় এবং অ-উপজাতীয়দের প্রতিনিধিত্বের আনুপাতিক হার নিয়েও বিস্তর অভিযোগ ও ক্ষোভ রয়েছে।
কারণ, এখানে জনসংখ্যার বিচারে সকল (১৩টি) উপজাতীয় জনগোষ্ঠী এবং অ-উপজাতি বা বাঙালি জনগোষ্ঠীর জনসংখ্যা প্রায় সমান সমান। ফলে এই সদস্য রেসিও নিয়ে বিতর্ক শুরু থেকেই। এর মধ্যে উপজাতীয় সদস্যের সংখ্যাই বেশি, যা এই অঞ্চলের জাতিগত ভারসাম্যকে প্রতিফলিত করার কথা ছিল। তবে, সমালোচকরা বলেন, এই কাঠামোটি কার্যকরভাবে উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে, যা দেশের অন্য কোনো অঞ্চলে বিদ্যমান নেই।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কাঠামোতে দেখা যায়, উপজাতীয় সদস্য (২ জন মহিলা ও সংশ্লিষ্ট জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ) ১৫ জন এবং অ-উপজাতীয় সদস্য ১ জন মহিলাসহ ৭ জন। এখানে এটাও উল্লেখ্য, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানগণ পদাধিকার বলে সদস্য। এই তিনটি চেয়ার উপজাতীয়দের জন্য সংরক্ষিত।
আঞ্চলিক পরিষদের ক্ষমতা ও কার্যক্রম: অঙ্গরাজ্যের আদল
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদকে যে কারণে একটি “অঙ্গরাজ্যের আদলে” কাঠামো হিসেবে দেখা হয়, তার পেছনে রয়েছে এর ব্যাপক ক্ষমতা ও কার্যপরিধি। এই পরিষদ কেবল উন্নয়নমূলক কাজের তদারকি করে না, বরং আইনশৃঙ্খলা, ভূমি ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় পুলিশ, এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমের ওপরও এর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ: পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অনুযায়ী, আঞ্চলিক পরিষদ স্থানীয় পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দিতে পারে। যদিও প্রতিরক্ষা ও সীমান্তরক্ষার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের, স্থানীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পরিষদের এই ক্ষমতা দেশের অন্য কোনো জেলা বা অঞ্চলে দেখা যায় না।
ভূমি ব্যবস্থাপনা: ভূমি সমস্যা পার্বত্য চট্টগ্রামের সবচেয়ে সংবেদনশীল বিষয়গুলোর একটি। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিতে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি কমিশন গঠনের কথা বলা হয়েছে। আঞ্চলিক পরিষদ এই ভূমি কমিশনের কার্যক্রমের ওপরও প্রভাব বিস্তার করতে পারে, যা ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয় নিয়ন্ত্রণকে আরও শক্তিশালী করে। এই ধরনের বিশেষ ব্যবস্থা দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনার সাধারণ আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে অনেকে মনে করেন।
প্রশাসনিক সমন্বয়: পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের তিনটি জেলা পরিষদ (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান) আঞ্চলিক পরিষদের অধীনে কাজ করে। এই তিনটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানরাও উপজাতি এবং আঞ্চলিক পরিষদের পদাধিকার বলে সদস্য। এই কাঠামোটি একটি একক রাষ্ট্রে বিকেন্দ্রীকরণের চেয়েও অধিক ক্ষমতাশালী বলে মনে হয়। এই ক্ষমতাগুলো বিবেচনা করে বলা যায়, আঞ্চলিক পরিষদ এমন একটি প্রশাসনিক মডেল, যা একটি একক, সার্বভৌম রাষ্ট্রের অধীনে সীমিত স্বায়ত্তশাসনের চেয়ে বেশি কিছু প্রদান করে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম (কথিত শান্তি চুক্তি) চুক্তির অপূর্ণ শর্ত ও অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার
দেশের অখণ্ডতার প্রশ্নে ভাগ্যভালো যে, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। সেগুলো বাস্তবায়িত হলে এই বিষয়গুলো আঞ্চলিক পরিষদের কার্যকারিতা এবং এই অঞ্চলের শান্তি প্রক্রিয়া বিঘ্নের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।
অস্ত্র সমর্পণ: পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির একটি মৌলিক শর্ত ছিল জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) সদস্যদের অস্ত্র সমর্পণ। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ত্র সমর্পণ অনুষ্ঠান হয়েছিল, কিন্তু পাহাড়ে এখনো জেএসএস-সহ অন্যান্য উপজাতীয় সংগঠনের সদস্যদের হাতে বিস্তর অবৈধ অস্ত্র রয়েছে। এই অবৈধ অস্ত্রের কারণে প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজি, অপহরণ এবং সংঘাতের ঘটনা ঘটছে। যতক্ষণ পর্যন্ত এই অবৈধ অস্ত্রগুলো সম্পূর্ণভাবে উদ্ধার করা না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে, চুক্তির একটি মূল শর্ত অপূর্ণ রয়ে গেছে, যা আস্থার সংকট তৈরি করেছে।
পারস্পরিক অবিশ্বাস: অবৈধ অস্ত্রের উপস্থিতি এবং জেএসএস-এর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয় বাঙালি এবং উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাস ও সন্দেহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাঙালিরা মনে করে, জেএসএস একটি বিশেষ গোষ্ঠী হিসেবে নিজেদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করছে, আর উপজাতিরা মনে করে, সরকার পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে আন্তরিক নয়। এই অবিশ্বাস দূর না হলে যেকোনো প্রশাসনিক কাঠামোই অকার্যকর হতে বাধ্য।
হাইকোর্ট কর্তৃক পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদকে অসাংবিধানিক ঘোষণা
২০১০ সালে হাইকোর্ট একটি রায়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইন, ১৯৯৮-কে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছিল। এই রায়ের মূল বক্তব্য ছিল, আঞ্চলিক পরিষদের গঠন ও এর প্রদত্ত ক্ষমতা বাংলাদেশের সংবিধানের “একক রাষ্ট্র” (unitary state) নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। হাইকোর্ট দুটি প্রধান কারণে এই রায় দিয়েছিল।
একক রাষ্ট্রের নীতির লঙ্ঘন: আদালত বলেছিল যে আঞ্চলিক পরিষদকে যে ক্ষমতাগুলো দেওয়া হয়েছে (যেমন: আইনশৃঙ্খলা, ভূমি ব্যবস্থাপনা, ইত্যাদি), তা বাংলাদেশের সংবিধানের একক রাষ্ট্রীয় চরিত্রকে ক্ষুণ্ন করে। পরিষদকে দেওয়া বিশেষ ক্ষমতাগুলো একটি একক রাষ্ট্রের মধ্যে কার্যত একটি স্বতন্ত্র প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি করে, যা সংবিধানের মূল কাঠামোর সঙ্গে মেলে না।
প্রশাসনিক ইউনিটের শর্ত পূরণ না হওয়া: আদালত আরও বলেছিল, যদি এই পরিষদকে স্থানীয় সরকার সংস্থা হিসেবে ধরা হয়, তবে এটি সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত হয়নি। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, একটি স্থানীয় সরকার সংস্থা গঠনের জন্য সেই এলাকাকে একটি প্রশাসনিক ইউনিট হিসেবে ঘোষণা করা প্রয়োজন, যা পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষেত্রে করা হয়নি।
হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের পক্ষ থেকে আপিল বিভাগে আপিল করা হয়। আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ দেয়, যার ফলে পরিষদ এখনো তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে, বিষয়টি আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে।
ভবিষ্যতের পথ ও সুপারিশমালা
পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক সমঝোতা ও আস্থার পরিবেশ তৈরি করা অপরিহার্য। একটি কার্যকর আঞ্চলিক পরিষদ তখনই সফল হতে পারে, যখন এর ভিত্তি হয় পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস। তবে তা কোনোভাবেই সংবিধানের একক রাষ্ট্র কাঠামোর সাথে সাংঘর্ষিক হয়, এমনভাবে করা যাবে না। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন-
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার: অবিলম্বে এবং কঠোরভাবে পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য অভিযান পরিচালনা করা অপরিহার্য। যতক্ষণ পর্যন্ত অবৈধ অস্ত্রগুলো জনগণের হাতে থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক সমাধানই স্থায়ী শান্তি আনতে পারবে না। এটি কেবল স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে না, বরং সকল পক্ষের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলবে।
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা: স্থানীয় প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক প্রভাব কমিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। সকল ধরনের অপরাধ, বিশেষ করে চাঁদাবাজি ও সহিংসতা, কঠোর হস্তে দমন করতে হবে, তা যেই করুক না কেন।
স্থানীয় সকল জাতিগোষ্ঠীকে প্রাধান্য দিয়ে সংলাপের মাধ্যমে সমাধান: স্থানীয় বাঙালি ও উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর সকল জাতিকে নিয়ে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে খোলামেলা ও গঠনমূলক সংলাপের আয়োজন করা উচিত। ভূমি, প্রশাসনিক ক্ষমতা এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।
সবশেষে বলা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ একটি ঐতিহাসিক প্রয়াস হলেও, এর গঠন প্রণালি ও এর সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক আইন এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে বাধ্য করেছে। এখন পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি নির্ভর করে চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের পূর্বে সংঘর্ষিক ধারাগুলো সংশোধন এবং সকল পক্ষের মধ্যে আস্থা প্রতিষ্ঠার ওপর। যতক্ষণ পর্যন্ত অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার বন্ধ না হচ্ছে এবং পারস্পরিক অবিশ্বাস দূর না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পরিষদও কার্যকরভাবে তার লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে না। দেশের সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের স্বার্থ সুরক্ষার জন্য একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাধান খুঁজে বের করা এখন সময়ের দাবি।
এ এইচ এম ফারুক : সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
farukkht@yahoo.com
