পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সেনাবাহিনীর সক্ষমতা আছে : ড. ইফতেখারুজ্জামান


পার্বত্য শান্তিচুক্তির প্রতিটি ধারা বাস্তবায়ন ও পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সক্ষমতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে ধানমন্ডির মাইডাস ভবনে টিআইবির নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেই সক্ষমতা আছে। সত্যিকারভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের ইতিবাচক দৃষ্টান্ত দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য এবং আন্তর্জাতিকভাবে মর্যাদা উচ্চতর জায়গায় নিয়ে যেতে পারে।’
তিনি সরকারের সমালোচনা করে বলেন, এক্ষেত্রে (পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায়) সরকারের হাতে কোনো কর্তৃত্ব নেই। বাংলাদেশের অতীতের কোনো সরকার সেটা করতে পারেনি। গত ১৫ বছর বাংলাদেশে পৃথিবীর সবেচেয়ে কর্তৃত্ববাদী সরকার ক্ষমতায় ছিল। তারাও পারেনি, তাদের পক্ষেও সম্ভব হচ্ছিল না।’
তিনি তাঁর বক্তব্যে বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে বলেন, বর্তমান সরকারের হাতে সে ধরনের কোনো কর্তৃত্ব নেই। আমি মনে করি, সেই এখতিয়ার, সক্ষমতা আসবে, যদি আমাদের সেনাবাহিনী, যাদের প্রতি এদেশের মানুষের আস্থা আছে, যারা জাতীয় ক্রান্তিলগ্নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, সেটার জন্য দেশবাসী যেমন প্রাউড, তেমনি তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে আমাদের দেখাক।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেই সক্ষমতা আছে। সত্যিকারভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের ইতিবাচক দৃষ্টান্ত দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য এবং আন্তর্জাতিকভাবে মর্যাদা উচ্চতর জায়গায় নিয়ে যেতে পারে।’
বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাফল্যের পরিসংখ্যান তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সারা বিশ্বে ১৬৯টা দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার কার্যক্রমে অত্যন্ত গৌরবের সাথে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভূমিকা রেখেছে। এটার জন্য আমিসহ পুরো দেশের জনগণ গর্বিত। এই মুহূর্তে অন্তত ১০টা দেশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শান্তি প্রতিষ্ঠায় কর্মরত আছে এবং উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন গবেষণা ফেলো রাজিয়া সুলতানা। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির উপদেষ্টা ও নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের, পরিচালক (রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি) মুহাম্মদ বদিউজ্জামান, পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) তৌহিদুল ইসলাম।

















