parbattanews

পাহাড়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ সংস্কৃতি বিনির্মাণের প্রত্যাশা সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর

অনুষ্ঠিত হলো কবি, কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক এহসান মাহমুদের ‘আদিবাসী প্রেমিকার মুখ’ কাব্যগ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান। আজ সোমবার বাংলা একাডেমির শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে প্রকাশনা সংস্থা ঐতিহ্য।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম জানালেন, সমতা প্রতিষ্ঠাই আমাদের মূল লক্ষ্য। পাহাড়ের সংস্কৃতি খুবই বর্ণাঢ্য। পাহাড় ও সমতলের মানুষের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের মধ্য দিয়ে যদি আমরা একটা সৌহার্দ্যপূর্ণ সংস্কৃতি বিনির্মাণ করতে পারি তাহলে বিশ্বে ভালো সভ্যতা নির্মাণ করতে পারব।

অধিকারকর্মী মেইনথিন প্রমিলার মতে, বইটি প্রথম যখন হাতে পেলাম তখন দেখলাম প্রেমিকা কথাটি রূপক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রেমিকা গোটা পাহাড়ের একজন প্রতিনিধি, সেখানে গোটা পাহাড়ের ভূমি সমস্যার কথা বলা আছে, নানা সংকটের কথা বলা আছে। নিরাপত্তা ও বঞ্চনার কথা বলা আছে।

লেখক ও গবেষক পাভেল পার্থ জানালেন, এখানে কবি আসলে কী অর্থে পার্বত্য চট্টগ্রামকে দেখেছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ। পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষকে না দেখলে তার বোঝা হতোনা একই ভূখণ্ডের এবং দেশের নাগরিক হলেও তাদের জীবনের সংগ্রাম একদমই আলাদা। কাপ্তাই হৃদের দিকে তাকালে সেখানে আদিবাসীদের ভূমি হারানোর যন্ত্রণা, দেশান্তরের দুঃখ দেখতে পান। এই বইয়ে কবি আদিবাসী প্রেমিকার মুখ দিয়ে আদিবাসী জীবনের বঞ্চনার কথাগুলো আমাদের দৃষ্টিতে নিয়ে এসেছেন।

গবেষক ও শিক্ষক কুদরত-ই হুদার ভাষ্য, এই বইতে যতনা প্রেম আছে- তার চেয়ে আছে আদিবাসী জীবনের বিপন্নতা আর বেদনা।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বললেন, এই বইটি একটি বিশেষ একটি এলাকা, বিশেষ একটি জনগোষ্ঠী এবং জীবন সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত। কাজেই এ বইটিকে প্রেমের কবিতা হিসেবে পড়তে চাইলে সে এলাকার ও জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও জীবনবোধকে গাঁয়ে মেখেই এই বইটি পড়তে হবে।

কবি এহসান মাহমুদ জানালেন, আমি যখন চট্টগ্রামে বাংলাদেশ টেলিভিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম, তখন বইটি সাজানোর চেষ্টা করি। বাংলাদেশ একটি জাতিগত, ভাষাগত ও ধর্মীয় বৈচিত্র্যের দেশ। যখন সংবিধান রচনা করা হয় তখন সেখানে শুধুমাত্র বাঙালির সংবিধান করে পুরো একটি জনগোষ্ঠীকে বাদ দেওয়া হলো। তারপরই একটা রাজনৈতিক লড়াই হয়ে গেল পাহাড়ে।প্রিক‘আদিবাসী প্রেমিকার মুখ’ : কাব্যগ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

সৌহার্দ্যপূর্ণ সংস্কৃতি বিনির্মাণের প্রত্যাশা সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর

 

অনুষ্ঠিত হলো কবি, কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক এহসান মাহমুদের ‘আদিবাসী প্রেমিকার মুখ’ কাব্যগ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান। আজ সোমবার বাংলা একাডেমির শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে প্রকাশনা সংস্থা ঐতিহ্য।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম জানালেন, সমতা প্রতিষ্ঠাই আমাদের মূল লক্ষ্য। পাহাড়ের সংস্কৃতি খুবই বর্ণাঢ্য। পাহাড় ও সমতলের মানুষের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের মধ্য দিয়ে যদি আমরা একটা সৌহার্দ্যপূর্ণ সংস্কৃতি বিনির্মাণ করতে পারি তাহলে বিশ্বে ভালো সভ্যতা নির্মাণ করতে পারব।

অধিকারকর্মী মেইনথিন প্রমিলার মতে, বইটি প্রথম যখন হাতে পেলাম তখন দেখলাম প্রেমিকা কথাটি রূপক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রেমিকা গোটা পাহাড়ের একজন প্রতিনিধি, সেখানে গোটা পাহাড়ের ভূমি সমস্যার কথা বলা আছে, নানা সংকটের কথা বলা আছে। নিরাপত্তা ও বঞ্চনার কথা বলা আছে।

লেখক ও গবেষক পাভেল পার্থ জানালেন, এখানে কবি আসলে কী অর্থে পার্বত্য চট্টগ্রামকে দেখেছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ। পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষকে না দেখলে তার বোঝা হতোনা একই ভূখণ্ডের এবং দেশের নাগরিক হলেও তাদের জীবনের সংগ্রাম একদমই আলাদা। কাপ্তাই হৃদের দিকে তাকালে সেখানে আদিবাসীদের ভূমি হারানোর যন্ত্রণা, দেশান্তরের দুঃখ দেখতে পান। এই বইয়ে কবি আদিবাসী প্রেমিকার মুখ দিয়ে আদিবাসী জীবনের বঞ্চনার কথাগুলো আমাদের দৃষ্টিতে নিয়ে এসেছেন।

গবেষক ও শিক্ষক কুদরত-ই হুদার ভাষ্য, এই বইতে যতনা প্রেম আছে- তার চেয়ে আছে আদিবাসী জীবনের বিপন্নতা আর বেদনা।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বললেন, এই বইটি একটি বিশেষ একটি এলাকা, বিশেষ একটি জনগোষ্ঠী এবং জীবন সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত। কাজেই এ বইটিকে প্রেমের কবিতা হিসেবে পড়তে চাইলে সে এলাকার ও জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও জীবনবোধকে গাঁয়ে মেখেই এই বইটি পড়তে হবে।

কবি এহসান মাহমুদ জানালেন, আমি যখন চট্টগ্রামে বাংলাদেশ টেলিভিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম, তখন বইটি সাজানোর চেষ্টা করি। বাংলাদেশ একটি জাতিগত, ভাষাগত ও ধর্মীয় বৈচিত্র্যের দেশ। যখন সংবিধান রচনা করা হয় তখন সেখানে শুধুমাত্র বাঙালির সংবিধান করে পুরো একটি জনগোষ্ঠীকে বাদ দেওয়া হলো। তারপরই একটা রাজনৈতিক লড়াই হয়ে গেল পাহাড়ে।

Exit mobile version