নিজস্ব প্রতিনিধি, পেকুয়া :
পেকুয়ায় অবরোধে জনজীবন অচল হয়ে পড়েছে। ১৮ দলের অবরোধে পেকুয়ার চিত্র ছিল অন্যান্য হরতালের চেয়ে ভিন্ন। সড়ক অবরোধের পাশাপাশি পেকুয়ার বাজারগুলোতে দোকানপাট প্রায় বন্ধ ছিল। সকাল থেকেই গাছ কেটে, বিদ্যুতের খুটি ফেলে, টায়ার জ্বালিয়ে, অবরোধ তৈরী করে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, অবরোধকারীরা মগনামা-বানিয়ারছরা সড়কের বারবাকিয়া রাস্তার মাথা, সাবেকগুলদী স্টেশন ও মহিলা মাদ্রাসা গেইটে ১০ টি মটর সাইকেল ও একটি রোগীবাহী সি.এন.জি টেক্সী ভাংচুর করেছে।
৭১ ঘন্টার অবরোধের শেষ দিনে আঞ্চলিক মহাসড়কের টইটং ব্রীকফিল্ড এলাকায় ইউনিয়ন যুবদলের কয়েকশ নেতাকর্মী প্রধান সড়কে বড় আকৃতির গাছ রাস্তার দুপাশের গাছের সাথে বেধে ব্যারিকেট দিলে যান চলাচলসহ এমনকি রিক্সা পর্যন্ত চলাচল বন্ধ করে দেয়। এদিকে পেকুয়া আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজারে উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মুকুট, পেকুয়া সদর পশ্চিম জোন যুবদলের সভাপতি জয়নাল আবেদীন, স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ন আহবায়ক, নুরুল আবছারের নেতৃত্বে শতাধিক নেতাকর্মী মগনামা বানিয়ার চরা সড়কের পেকুয়া বাজার এলাকা অবরোধ করে রাখে। সাকুর পাড় ষ্টশনে উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আহাছ্না উল্লাহর নেতৃত্বে শতাধিক নেতাকর্মী রাস্তায় বেরিকেড় দিয়ে রাস্তা অবরোধ করে রাখে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টইটং ইউনিয়ন যুবদলের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল হাজীর বাজার মৌলভী বাজার সড়ক প্রদক্ষিণ করে ব্রিকফিল্ড এলাকায় এসে একটি সমাবেশে মিলিত হয়। উক্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, টইটং ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আজমগীর, সাধারণ সম্পাদক শওকত ইসলাম খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক, শাহাদত হোসেন এম.ইউপি, প্রচার সম্পাদক, মাহমুদুল করিম, আবুল হাশেম,শাহাজাহান, জহিরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, রাহামত উল্লাহ, আবুবকর, আমিন উল্লাহ, নুরুচ্ছাপা, সোলাইমান, মাবুদ, মোহাম্মদ মাঝি, আবদুল জব্বার, কায়েশ, ফজলূল করিম, জয়নাল আবেদীন, জুনাইদ, নেজাম উদ্দিন, দেলোয়ার, আহমদ হোছাইন কালূ, সাদ্দাম নাসির প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, অবিলম্বে শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করে সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে নির্দলীয় তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে অন্যতায় অবরোধ অব্যাহত থাকবে।
