পেকুয়ায় তিন বছর ধরে আটকে আছে মাতৃত্বকালীন ভাতার কোটি টাকা

fec-image

কক্সবাজারের পেকুয়ায় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শওকত হোসেনের অবহেলায় দরিদ্র মায়ের জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতার নিরান্নব্বই লক্ষ চুরাশি হাজার টাকা আটকে আছে চকরিয়ার সোনালী ব্যাংক শাখায়, যার হিসাব নং- ৩৩০…১৬।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ওই কর্মসূচির আওতায় পঁচাশি হাজার পাঁচশত ছিয়াশি জন উপকারভোগীর বিরাশি কোটি ষোল লক্ষ পঁচিশ হাজার ছয়শত টাকা নানা জটিলতায় আটকে থাকে। তন্মমধ্যে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার সর্বোচ্চ এক হাজার চল্লিশ জন উপকারভোগীর টাকা আটকে আছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার উদাসীনতার কারণে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর থেকে গত বছরের ২৪ নভেম্বর একটি চিঠি ইস্যু করা হয়।

উপকারভোগী আরফা খাতুন বলেন, আমাদের আটকে থাকা ভাতার বিষয়ে সরকার চিঠি দিয়েও ইউএনও ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার ঘুম ভাঙ্গাতে পারেনি। ওনাদের সমন্বয়হীনতার কারণে আমাদের প্রাপ্য টাকাগুলো পাচ্ছিনা।

এব্যাপারে জানতে পেকুয়া উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শওকত হোসেনের মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোতাছেম বিল্যাহ বলেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও আমার যৌথ স্বাক্ষরের কারণে মাতৃত্বকালীন ভাতা যে এতোদিন আটকে ছিলো তা সম্পর্কে আমি অবগত ছিলাম না। এ বিষয়ে আমি ওনার সাথে কথা বলবো।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: পেকুয়া, মাতৃত্বকালীন ভাতা
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

18 − 12 =

আরও পড়ুন