নিজস্ব প্রতিনিধি :
পেকুয়ায় দেড় মাস পর এক স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করছে পুলিশ। এ সময় পুলিশ অপহরণের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তৌহিদুল ইসলাম নামের এক যুবককে আটক করছে।
অপহরনের শিকার হুমাইরা বেগমের পিতা মামলার বাদি খলিল আহমদ জানিয়েছেন, গত ৪ জুন তার দশম শ্রেনী পড়ুয়া মেয়ে হুমাইরা বেগমকে স্কুলে যাওয়ার পথে সৈকত পাড়া এলাকার তৌহিদুল ইসলাম, মুরার পাড়া এলাকার মুবিনুল হক, আবু সোলতান ও আবু সুফিয়ান মিলে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজি করে তার কোন সন্ধান না পাওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে অপহরণকারীদেরকে বিবাদী করে একটি মামলা দায়ের কররি। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পেকুয়া থানাকে নিয়মিত মামলা হিসাবে রেকর্ড করার নির্দেশ দেয়। যার মামলা নং ৭৫/১৬ইং।
এরপর থেকে পুলিশ ভিকটিমসহ অপহরণকারীদের আটকের জন্য সর্বাত্বক চেষ্টা অব্যাহত রাখে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৫ জুলাই কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজারের একটি জায়গা থেকে ভিকটিম হুমাইরা বেগম ও অপহরণকারী তৌহিদুল ইসলামকে আটক করে। পরে তাদের দুজনকে পেকুয়া থানা পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়।
তিনি আরো জানান, এতদিন অপহরণকারীর পক্ষ থেকে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করে হয়রানি করা হয়েছিল। সেটা যে একটা মিথ্যা মামলা ছিল আজ সেটা প্রমাণিত হল।
এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ওসি জিয়া মুহাম্মদ মুস্তাফিজ ভুইয়া জানান, মামলার পর থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার ও অপরহণকারী হিসাবে তৌহিদুল ইসলামসহ অপারপর আসামীদের আটকের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল পুলিশ। সর্বশেষ গত শুক্রবার তৌহিদুল ইসলামকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃত আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। সাথে সাথে অধিকতর তদন্তের জন্য তার রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। আর ভিকটিমকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামীদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।