প্রবাস ফেরত যুবককে মেরে হাসপাতালে পাঠালো

fec-image

কক্সবাজার সদরের খুরুশকুলে মো. হারুন রশিদ (২৭) নামের যুবক মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরে বাড়ি যাওয়ার পথে সিএনজি থামিয়ে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

এ সময় তার পকেটে থাকা নগদ ৮০ হাজার টাকা, এক লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা মূল্যের ৩ ভরি স্বর্ণালংকার ও এক লক্ষ ১০ হাজার টাকা মূল্যের ২টি মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।

গত ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় খুরুশকুলের কৃষ্ণের দোকান সড়কে প্রথম ঘটনা ঘটে। এরপর হাসপাতাল থেকে ফেরার পথে দুপুর ১২টার দিকে সবুজবাংলা মৎস্য খামার সড়কে দ্বিতীয় বার হামলার ঘটনা ঘটে। ভেঙে দেয়া হয়েছে পা। গুরুতর আহত মো. হারুন রশিদ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি খুরুশকুল ৮নং ওয়ার্ডের মনুপাড়ার বাসিন্দা মরহুম হাজী জহুর আহমদের ছেলে।

এ ব্যাপারে ভিকটিমের ভাই মো. ইউসুফ প্রকাশ মামুন বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় এজাহার দিয়েছেন।

অভিযুক্তরা হলেন খুরুশকুলের ৯নং ওয়ার্ডের কুলিয়াপাড়ার সৈয়দ আহমদের ছেলে মো. বেলাল (৩৯), মো. নুরুন্নবীর ছেলে আরমান (২৫), মোস্তাক আহমদের ছেলে মো. বাবু (২৬), মো. ফরিদের ছেলে মো.ফারুক (২৪), মো. নুরুন্নবীর ছেলে মো. কলি (২৫), মো. ইউসুফের ছেলে মো. সুমন (২৮), মো. লুলা মিয়ার ছেলে মো. বাবু-২ (২৪), উকিল আহমদের ছেলে মো. কাজল (২৬)। ঘটনায় আরো ৩/৪জন রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

মো. ইউসুফ প্রকাশ মামুন এজাহারে উল্লেখ করেছেন, ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টার দিকে প্রবাস ফেরত তার ভাই মো. হারুন রশিদ সিএনজিতে করে মনুপাড়া বাড়ি ফেরার পথে খুরুশকুলের কিস্তির দোকান এলাকায় পৌঁছলে সিএনজি থেকে নামিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও ব্যবহৃত মোবাইল ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। লোকজন এগিয়ে গেলে তারা সটকে পড়ে।

স্থানীয় চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা কক্সবাজার সদর মডেল থানাকে তাৎক্ষণিক ঘটনাটি অবহিত করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মো. হারুন রশিদকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠায় স্থানীয়রা।

মো. ইউসুফ প্রকাশ মামুনের অভিযোগ, চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুপুর ১২টার দিকে সবুজবাংলা মৎস্য খামারের সামনের প্রধান সড়কে পৌঁছলে মো. হারুন রশিদকে সিএনজি থেকে টানাহেঁচড়া করে নামায় পূর্বে ওঁৎপেতে থাকা চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা। দ্বিতীয় দফায় ব্যাপক মারধরের কারণে তিনি মারাত্মক আহত হন। ধারালো কিরিচের আঘাতে তার হাতসহ সারা শরীর রক্তাক্ত ও  জখম হয়।

২২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে দশটায় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তিনি জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।

এ প্রসঙ্গে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মুনীর-উল-গীয়াস জানান, ঘটনার বিষয়ে তারা লিখিত একটি এজাহার পেয়েছেন। তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

six − 4 =

আরও পড়ুন