‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠির ভাগ্যোন্নয়নে গ্রামকে সমবায়ের ভিত্তিতে গড়ে তুলতে হবে’

fec-image

‘বঙ্গবন্ধুর দর্শন সমবায়ে উন্নয়ন’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ৪৯তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৃলা দেব‘র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম। মাটিরাঙ্গা উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আমান উল্লাহ দিবসের তাৎপর্য্য তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

আলোচনা সভায় মাটিরাঙ্গা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাসিনা বেগম, মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিরনজয় ত্রিপুরা, মাটিরাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান ভুইয়া, মাটিরাঙ্গা মুক্তিযোদ্ধা সমবায় সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.আবুল হাসেম, সম্প্রীতি সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লি. এর সাধারণ সম্পাদক বাবুল বনিক ও অর্জুনটিলা সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায়
সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. সামসুদ্দিন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মূলমন্ত্র সমবায় ভিত্তিক সমাজ গঠন উল্লেখ করে মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই সত্যটি উপলব্ধি করে দেশ স্বাধীনের পরপরই প্রতিটি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সমবায়ের ভিত্তিতে পরিচালনার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগে গ্রামাঞ্চলে দারিদ্রের হার কমাতে অসামান্য অবদান রেখে চলেছে। শহর ও গ্রামের মধ্যে বৈষম্য দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।

সভাপতির বক্তব্যে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৃলা দেব বর্তমানে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, প্রতিটি গ্রামকে যদি আমরা সমবায়ের ভিত্তিতে গড়ে তুলতে পারি তাহলে অচিরেই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্যের আমূল পরিবর্তন ঘটবে। বদলে যাবে আমাদের আর্থিক সক্ষমতা।

তিনি বলেন, সমবায়ীদের নিজেদের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করতে হবে। পরে দিবসটি উপলক্ষ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ সমবায়ী ও সংবায় সংগঠনের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথি বৃন্দ।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: উপজেলা পরিষদ, খাগড়াছড়ি, বঙ্গবন্ধু
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

one + fourteen =

আরও পড়ুন