বন্যপ্রাণী বাঁচাতে হলে পরিবেশ ও আবাসস্থল ঠিক রাখতে হবে

fec-image

বন্যপ্রাণীকে বাঁচাতে হলে পরিবেশ ও আবাসস্থল ঠিক রাখতে বলে মন্তব্য করেছেন, রাঙামাটি ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক তবিবুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাঙামাটি বন বিভাগের উদ্যোগে বন্যপ্রাণী রক্ষায় র‌্যালি শেষে এক পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য প্রচুর পরিমাণ গাছ লাগাতে হবে। রাঙামাটি শহরের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে বন্যপ্রাণীর বিচরণ অনেকটাই বেশি কমে যাচ্ছে। তার কারণ হলো, ঐতিহ্যগতভাবে স্থানীয় পাহাড়ি লোকজন মাংসের চাহিদা পূরণে বন্যপ্রাণীগুলো ধরে ভক্ষণ করে।

তিনি আরও বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ নিরাপত্তা আইন-২০১২ অনুসারে এটি কিন্তু সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং এটি দণ্ডণীয় অপরাধ। এই অপরাধের বিষয়ে মানুষ কিন্তু বেশি একটা জানে না। এ বিষয়ে নিয়ে খুব একটা প্রচারও হয়না। বন্যপ্রাণী না ধরার জন্য এবং এদের পরিবেশ ও আবাসস্থল তৈরি করার জন্য সারাদেশে প্রচার করা হচ্ছে এবং মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।

এ বন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের প্রকৃতি থেকে ৩১ প্রজাতির বন্যপ্রাণী ইতিমধ্যে বিলুপ্তি হয়ে গেছে। সেটি প্রকৃতিতে দেখা যায় না এবং বন্য পরিবেশেও দেখা যায় না। এখন যেসব বন্যপ্রাণী অবশিষ্টি আছে সেগুলোর প্রতি সচেতন না হলে ঐগুলো বিলুপ্তি হয়ে যাবে। বিশেষ করে বনমোরগ, সাম্বার হরিণ, মায়াবী হরিণ। এসব বন্যপ্রাণী রক্ষা করার জন্য রাঙামাটি বনবিভাগ শহরের বিভিন্ন বাজারে অভিযান এবং প্রচারণা চালিয়ে যাবে।

এসময় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের পথসভায় উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক গঙ্গাপ্রসাদ চাকমা, ইউএসএ বন বিভাগের সরকারি বন সংরক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক, পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের সরকারী বন সংরক্ষক শেমল কুমার মিত্র,পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের সগকারী বন সংরক্ষক মো. মাসুম, রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুল হামিদ, মো. মিজানুর রহমান, মো. কামরুল ইসলাম, মো. সিরাজ, এহিয়া হোসেন, খন্দকার মাহমুদুল হক মুরাদ প্রমুখ।

এর আগে বন্যপ্রাণী রক্ষায় রাঙামাটি বন বিভাগ থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: বন্যপ্রাণী
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন