বান্দরবানে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ব্যবসায়ীকে হামলা

fec-image

বান্দরবানে পূর্বশত্রুতার জের ধরে এক ব্যবসায়ীকে হামলার অভিযোগ উঠেছে।  ১২ জুন (শুক্রবার) সকালে বান্দরবান বাজার থেকে বাসায় যাওয়ার পথে ইসলামপুর সুইচগেট নামক স্থানে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আপন মামা তার ভাগ্নেকে পরিবারসহ নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারী ব্যবসায়ী ৯নং ওয়ার্ড সিকদারপাড়ার মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে মোহাম্মদ শাহরাজ (৪২) । তিনি জানান আমি সকালে জরুরি একটি কাজে বান্দরবান মাছ বাজারে আসি আমার কাজ শেষ করে বাসায় চলে যাওয়ার পথে আমার আপন মামা মো. আবুল কালাম (৬০) তার পুত্র সুজন ( ২৫) ও আমার মামী মোস্তূরা (৪৫) আমাকে অতর্কিতভাবে হামলা করে এবং লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে মারতে থাকে। পথে মধ্যে অনেক মানুষ  দেখলেও কেউ আমাকে বাঁচাতে সহযোগিতা করেনি।

পরবর্তীতে এই খবর আমার এলাকা ও পরিবারের কাছে পৌঁছালে আমার আত্মীয় স্বজন আমাকে বাঁচাতে আসলে তারা আমাকে ফেলে সেখান থেকে চলে যায়। আমার অবস্থা খারাপ হওয়াতে দ্রুতভাবে আমাকে বান্দরবান সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তারা এর আগেও আমার বড় ভাই সিরাজকে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে এবং আমাদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে যার মোবাইল রেকর্ডিং আমার কাছে আছে।

আমার মামা আবুল কালাম আমাদেরকে মারার জন্য গুন্ডা ভাড়া করেছে এবং আমাদের মারার পরে যে কোন ঘটনা তৈরি হলে তা তিনি সমাধান করার জন্য সকল রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে ভাড়াটে গুন্ডা দের জানান, যার রেকর্ডিং আমার আছে। মূলত ব্যবসাকে কেন্দ্র করে আজকের এই ঘটনা হয়েছে বলে আহত ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শাহরাজ দাবি করেন।

ঘটনা আরও বিস্তারিত জানার জন্য প্রতিপক্ষ আবুল কালাম (৪২) কে মুঠোফোনে কল করে ঘটনার বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি জানান আসলে আমরা সকালে কিছু মাছ থানচি পাঠানোর জন্য কিনে আনি। কিন্তু আমার বিপরীতপক্ষ আমার মাছের গাড়ি বহনকারী রিক্সাওয়ালাকে বিনা অপরাধে মারধর করে তাকে চরমভাবে আহত করে। আমরা তার প্রতিবাদ জানিয়েছি। মাছ কিনলে আমরা কিনেছি কিন্তু সাধারণ একজন রিকশাওয়ালাকে কেন তারা নিরপরাধ ভাবে মারল। মূলত মাছ ব্যবসা কে কেন্দ্র করে এ ঘটনা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

এ ব্যাপারে বান্দরবান সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে এবং পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু সত্যতা যাচাই করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: বান্দরবানে, ব্যবসায়ীকে, হামলা
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

seven + seven =

আরও পড়ুন