বাবার কবর জিয়ারত ও স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন তারেক রহমান


আজ ২৬ ডিসেম্বর শুক্রবার বাদ জুমা বেলা দুইটার দিকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পরে তিনি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যাবার বিষয়টি ঘিরে সাভারের স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উচ্ছাস চলছে। একই সাথে জাতীয় স্মৃতিসৌধ কর্তৃপক্ষ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে। ইতোমধ্যে সর্বসাধারণের স্মৃতিসৌধে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে স্থানীয় সাংবাদিকরা জানিয়েছেন।
১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন তিনি। ২৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীর গণসংবর্ধনার পর মা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে দেখতে যান তিনি।
বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছে, রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য এবং তারেক রহমানের সপরিবার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিএনপির উদ্যোগে ঢাকাসহ দেশের মসজিদে মসজিদে জুমার নামাজ শেষে আজ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকাসহ সারা দেশে বিএনপি, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণকে এই দোয়ায় অংশ নিতে অনুরোধ জানিয়েছে বিএনপি।
তারেক রহমান বাংলাদেশ বিমানের বিজি-২০২ ফ্লাইটে দেশে ফেরেন। তিনি লন্ডন থেকে সিলেট হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪৩ মিনিটে ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও একমাত্র মেয়ে জাইমা রহমান।
ঢাকা বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচলের ৩০০ ফিটে যেতে যানজট না থাকলে আধা ঘণ্টার বেশি সময় লাগে না। গতকাল তারেক রহমানের সেই পথে যেতে সময় লেগেছে তিন ঘণ্টা। কারণ, রাস্তার দুই ধারে নেতা-কর্মী-সমর্থকদের সারি, মানুষের ঢল। কেবল নেতা-কর্মী নন, অনেকেই এসেছেন ১৭ বছর পর দেশে ফেরা তারেক রহমানকে একপলক দেখার কৌতূহল নিয়ে, কেউবা প্রত্যাবর্তনের একটি স্মরণীয় দিনের সাক্ষী হতে। বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচলের সংবর্ধনা মঞ্চ পর্যন্ত সাড়ে ৬ কিলোমিটার পথ যেন লোকারণ্য হয়ে ওঠে।
তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরের ভিআইপি গেটসহ আশপাশে নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল বেশ চোখে পড়ার মতো। বিমানবন্দর থেকে সমাবেশস্থল পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে এবং তারেক রহমানকে বহনকারী বাসের সামনে, পেছনে ও দুই পাশে ছিল সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তাবেষ্টনী।

















