স্টাফ রিপোর্টার, রাঙামাটি :
রাঙামাটিতে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় এসব তথ্য প্রকাশ করে বলা হয়, বাংলাদেশে শহরের তুলনায় গ্রামে এবং বিভাগগুলোর মধ্যে রাজশাহীতে অল্প বয়সে মা হওয়ার প্রবণতা বেশি। ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই ৬৬ ভাগ কিশোরীর বিয়ে হচ্ছে। যা উদ্বেগের।
শনিবার বেলা সাড়ে ১২টায় রাঙামাটি পরিবারকল্যাণ পরিদর্শিকা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ‘জেলা পর্যায়ে ছোট পরিবার ধারণার উন্মেষ, এনএসসি, নিরাপদ মাতৃত্ব, পিএনসি, নবজাতকের যত্ন ও পুষ্টি বিষয়ে প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মীদের অবহিতকরণ’ শীর্ষক দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত কর্মশালায় আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন, রাঙামাটি জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক বেগম সাহান ওয়াজ। কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটির সিভিল সার্জন ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের সরকারী পরিচালক জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, রাঙামাটি পরিবারকল্যাণ পরিদর্শিকা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ডা. কামাল উদ্দিন আহমেদ, রাঙামাটি পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. বেবী ত্রিপুরা ও রাঙামাটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. লেলিন তালুকদার। কর্মশালায় জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক সংবাকর্মীরা অংশ নেন।
এতে উল্লেখ করা হয়, প্রচলিত আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে মেয়েদের ১৮ এবং ছেলেদের ২১ বছর বয়স হলে বিয়ের অনুমতি রয়েছে। নির্ধারিত বয়সের আগে বিয়ে হলে সেটা হবে বাল্য বিবাহ। যা আইনসিদ্ধ নয়। ১৮ বছর বয়সের আগে মেয়েদের শারিরীক ও মানসিক পরিপূর্ণতা আসে না। এছাড়া কিশোরী বয়সে বিয়ে ও গর্ভধারণ করা হলে গর্ভপাত, মাতৃ ও শিশু মৃত্যু বেশি হয়। নারীর স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ে। যার করুণ পরিণতি সারাজীবন ভোগ করতে হয় নারীকে। কর্মশালায় ছোট পরিবার গঠনে এনএসসি, নিরাপদ মাতৃত্ব, পিএনসি, নবজাতকের যত্ন ও পুষ্টি বিষয়ে এবং বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে জনসচেতনা সৃষ্টিসহ পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর ও বিভাগের সেবা নেয়ার জন্য সর্বসাধারণকে আহবান জানানো হয়।
এতে বলা হয়, সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শিশুমৃত্যুর হার কমানোর প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। তাই ২০১৬ সাল নাগাদ পিএসপিএনএসডিপির লক্ষ্যমাত্রা, ২০১৫ সাল নাগাদ এমডিজির লক্ষ্যমাত্রা এবং ভিশন ২০২১ পূরণের প্রধান চেলেঞ্জ মোকাবেলায় মুল লক্ষ্য।
