বুধবার বুথিডং টাউনশিপের ওয়াচিলা গ্রামে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় ১৩ বছর বয়সী এক রোহিঙ্গা বালক গুরুতরভাবে আহত হয়েছে। আহত ছেলেটির নাম মো. সায়েদুল্লাহ বলে শনাক্ত করা হয়েছে।
বাসিন্দারা জানান, সকাল প্রায় সাড়ে ১০টার দিকে এই হামলাটি ঘটে, যখন যুদ্ধবিমান ও একটি ওয়াই-১২ বিমানসহ সামরিক বিমানগুলো বুথিডং শহরের নদী পারের বেশ কয়েকটি গ্রামে বোমা হামলা চালায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, হামলা চলাকালে অন্তত ১০টি বোমা ফেলা হয়, যার ফলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বেসামরিক নাগরিকরা নিরাপত্তার খোঁজে পালাতে শুরু করে।
“বোমা পড়তে শুরু করার আগেই বিমানের শব্দে পুরো গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল,” একজন রোহিঙ্গা বাসিন্দা ‘রোহিঙ্গা খবর’কে বলেন। “পরিবারগুলো তাদের সন্তান ও বয়স্ক আত্মীয়দের নিয়ে যেদিকে ছুটছিল, তারা জানত না কোথায় আশ্রয় পাবে।”
বাসিন্দারা জানান, হামলায় মো. সায়েদুল্লাহ গুরুতর আহত হয়েছেন এবং প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল।
এই বিমান হামলায় বহু পরিবার ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। হতাহতের মোট সংখ্যা এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
আরেকজন বাসিন্দা বলেছেন, এই সংঘাতের সবচেয়ে বড় বোঝা বেসামরিক নাগরিকদেরই বহন করতে হচ্ছে।
“মানুষ শুধু শান্তিতে থাকতে চায়, কিন্তু প্রতিদিন তারা আরেকটি বিমান হামলার আশঙ্কায় থাকে,” একজন বাসিন্দা বলেন। “আমরা আশা করি, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নিরীহ পরিবারগুলোর এই দুর্ভোগকে উপেক্ষা করবে না।”
এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী কথিত বিমান হামলাটি নিয়ে কোনো প্রকাশ্য বিবৃতি দেয়নি।
উৎস : রোহিঙ্গা খবর অনলাইন থেকে অনূদিত
