১. ভূমিকা
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক ভরত কর্ণাদ একটি বিতর্কিত নিবন্ধ লেখেন। শিরোনাম: “Widen the Siliguri Corridor, annex Rangpur Division of Bangladesh (Augmented)”। এই নিবন্ধে তিনি openly বাংলাদেশের রংপুর বিভাগ দখলের আহ্বান জানান। শুধু তাই নয়, তিনি ১৩ মিলিয়ন হিন্দু ও ১৮ মিলিয়ন মুসলমানের population transfer-এর প্রস্তাব দেন। [১]
এই বিশ্লেষণে আমরা দেখব: আর কোন ভারতীয় বিশ্লেষকরা একই মত পোষণ করেন? কর্ণাদের আসল উদ্দেশ্য কী? ভারতীয় প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান তাকে কতটা সিরিয়াসলি নেয়? এবং তার ক্যারিয়ারের উত্থান-পতন কীভাবে তার মতামতকে প্রভাবিত করেছে।
২. অন্যান্য ভারতীয় বিশ্লেষকদের মতামত
ক. যারা সরাসরি রংপুর দখলের পক্ষে:
ভরত কর্ণাদ একা নন। ভারতের ডানপন্থী একটি গোষ্ঠী একই ধারা সমর্থন করে।
রুকমা রাথোর (OpIndia, ১ এপ্রিল ২০২৫) — “রংপুর, রাজশাহী, খুলনা এবং চট্টগ্রাম পর্যন্ত নিয়ে নেওয়া উচিত।” তিনি বলেন “Chicken’s Neck কে Elephant’s Trunk-এ পরিণত করার সময় এসেছে।” [২]
জয়দ্বীপ মজুমদার (Swarajya, ১ এপ্রিল ২০২৫) — পুরো রংপুর বিভাগ ও চট্টগ্রামের ৫টি জেলা হিন্দু হোমল্যান্ড হিসেবে নেওয়ার প্রস্তাব দেন। তিনি “দ্রুত সামরিক অভিযানের” আহ্বান জানান। [৩]
ডাঃ শ্রীকুমার মেনন (PGurus, ২৬ এপ্রিল ২০২৫) — “রংপুর জেলা ও চট্টগ্রাম বন্দর দখলের বিষয়ে সক্রিয় বিবেচনা প্রয়োজন,” বলেন। ১৯৭১ সালের সুযোগ নষ্ট হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। [৪]
জিপিএস মান (Punjab Outlook, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) — ১৯৭১ সালের leverage “নষ্ট” হয়েছে বলে দাবি করেন। এখন তা সংশোধনের সময়। [৫]
কর্নেল আরপি সিং (অব.) (STRIVE, ৪ জানুয়ারি ২০২৬) — বাংলাদেশকে “টাইম বোম্ব” বলে অভিহিত করেন। চীনের অর্থায়নে হুমকির কথা বলেন। সিমলা চুক্তিতে ভারতের “Killer Instinct” ছিল না বলে সমালোচনা করেন। [৬]
খ. যারা পরোক্ষ সমর্থন দেন:
হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (অসমের মুখ্যমন্ত্রী, মে ২০২৫) — বাংলাদেশের দুটি “চিকেন নেক” চিহ্নিত করেন। বলেন ভারত সেগুলো কেটে দিতে পারে। ডিসেম্বর ২০২৫-এ সরাসরি ২২ কিমি করিডোর প্রশস্ত করার আহ্বান জানান। [৭]
লেফটেন্যান্ট জেনারেল অনিল আহুজা (অব.) — কর্ণাদের নিবন্ধের মন্তব্যে লেখেন: “ঈশ্বর চান আমরা আমাদের সক্ষমতা সঠিকভাবে কয়েক দশক আগেই তৈরি করতাম।” তিনি কর্ণাদের যুক্তির সাথে একমত হন। [১]
গ. যারা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বা বিরোধিতা করেছেন:
নবারুণ বরুয়া (Swarajya, ১৩ জুন ২০২৫) — সতর্ক করেন: দখলের অর্থ হল লক্ষ লক্ষ উগ্রবাদী জনগোষ্ঠীকে ভারতের অংশ করা। এটি বিশৃঙ্খলা ডেকে আনবে, পুনরুদ্ধার নয়। [৮]
কমান্ডার অশুতোষ — কর্ণাদের নিজস্ব মন্তব্য বিভাগে বিস্তারিত খণ্ডন দেন। বলেন দখল চীনের বিরুদ্ধে ভারতের নৈতিক অবস্থান ধ্বংস করবে, প্রতিবেশীদের বেইজিংয়ের দিকে ঠেলে দেবে। [১]
শেখর গুপ্ত (ThePrint, ১৬ এপ্রিল ২০২৬) — টেটুলিয়া করিডোর বিনিময়, ভূগর্ভস্থ রেলপথের মতো infrastructure সমাধানের ওপর জোর দেন। দখলের পক্ষে নন। [৯]
মেট্রো মর্নিং (২৪ জুন ২০২৬) — ভারতীয় দ্বিচারিতা তুলে ধরে: নিজের জন্য সার্বভৌমত্ব দাবি করা, অন্যদের জন্য তা লঙ্ঘনের পরিকল্পনা। [১০]
ফার্স্টপোস্ট (২ জানুয়ারি ২০২৬) — বাংলাদেশের দুটি চিকেন নেককে প্রতিউত্তর হিসেবে নথিভুক্ত করে। কিন্তু দখল সমর্থন করে না — এটাকে প্রতিরোধ হিসেবে ফ্রেম করে, নীতি হিসেবে নয়। [১১]
জয়ন্ত জ্যাকব (New Indian Express, ২৫ মে ২০২৫) — করিডোরের কৌশলগত দুর্বলতা ব্যাখ্যা করেন কিন্তু আঞ্চলিক পরিবর্তনের পক্ষে নন। [১২]
ঘ. নিরপেক্ষ সামরিক বিশ্লেষণ:
অনিল চোপড়া (Air Power Asia, ৭ জানুয়ারি ২০২৬) — উভয় বাংলাদেশী চিকেন নেকের বিস্তারিত সামরিক ভূগোল দেন। পেশাদার বিশ্লেষণ, সমর্থন নয়। [১৩]
নওরেম সুমন্ত সিং (Borderlens, ২১ অক্টোবর ২০২৫) — চুম্বি ভ্যালি ও লালমনিরহাট থেকে চীনা ঘেরাও কৌশল বিশ্লেষণ করেন। শর্মার প্রতিউত্তর নোট করেন কিন্তু দখল সমর্থন করেন না। [১৪]
মূল কথাঃ কর্ণাদ একা নন — রাথোর, মজুমদার, মেননের মতো ডানপন্থী ভাষ্যকাররা একই মত পোষণ করেন। কিন্তু মূলধারার বিশ্লেষক, সাবেক/বর্তমান সামরিক কর্মকর্তারা (আহুজা ছাড়া) চুপ বা বিরোধী। সবচেয়ে শক্তিশালী খণ্ডন এসেছে তার নিজের মন্তব্য বিভাগ থেকে।
৩. কর্ণাদ কেন এই প্রস্তাব দিচ্ছেন?
মূল্যায়ন: আংশিকভাবে আলোচনার কেন্দ্রে থাকার জন্য, আংশিকভাবে তার প্রকৃত বিশ্বাস থেকে।
ক। আলোচনার কেন্দ্রে থাকার প্রমাণ:
তার বয়স বয়স ৭৮ বছর। তিনি CPR-এ “Emeritus Professor” — অর্থাৎ আর সক্রিয় প্রতিষ্ঠানিক পদে নেই। তার নীতিগত প্রভাব কমে গেছে।
সর্বশেষ বড় বই ২০১৮ সালে (Staggering Forward)। সবচেয়ে বেশি প্রভাব ছিল ১৯৯৮–২০০৮ সালে (Nuclear Doctrine Drafting Group, NSAB)। এখন তার আউটপুট ব্যক্তিগত ব্লগে সীমাবদ্ধ।
রংপুর নিবন্ধটি deliberately চরম — population transfer (১৩M হিন্দু, ১৮M মুসলমান), $১০-২০ বিলিয়নে জমি কেনা, সামরিক দখল। এমন প্রস্তাব attention guaranteed।
তার ব্লগের ট্যাগলাইন: “India’s Foremost Conservative Strategist”। তিনি একটি maverick, contrarian persona তৈরি করেছেন।
তিনি commenters-এর সাথে actively engage করেন (এই নিবন্ধে ৪৯টি মন্তব্য)। এটি দেখায় তিনি প্রচুর সময় দিচ্ছেন এবং মনোযোগ চাইছেন।
খ। তার বিশ্বাসের প্রমাণ:
তিনি কয়েক দশক ধরে aggressive territorial nationalism সমর্থন করে আসছেন — ২০১৫ সালের বই Why India is Not a Great Power (Yet) এবং অসংখ্য ব্লগ পোস্টে।
তিনি genuinely বিশ্বাস করেন ভারতকে চীনের “annex first, deal with outcomes later” নীতি অনুসরণ করা উচিত। চীন দক্ষিণ চীন সাগরে নয়-ড্যাশ লাইন, অরুণাচল প্রদেশে CLAIMS এবং ভুটানের ডোকলামে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে এই নীতি অনুসরণ করে আসছে।
জনসংখ্যা স্থানান্তরের প্রস্তাব এতটাই চরম যে এটি তার অবশিষ্ট প্রতিষ্ঠানিক বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।
“Augmented” সংস্করণটি প্রতিক্রিয়ার পর যোগ করা হয়েছে — দেখায় তিনি ধারণাটিকে seriously নিতে চান।
রায়: দুটোই সত্য — তিনি আলোর কেন্দ্রে থাকতে চান এবং তার প্রকৃত বিশ্বাসও এটি।
৪. ভারতীয় প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান কি তাকে সিরিয়াসলি নেয়?
মূল্যায়ন: সামান্য, কিন্তু তার বিশ্বাসযোগ্যতা ক্রমহ্রাসমান।
ক। হ্যাঁ, একসময় তারা তাকে seriously নেয়া হতো:
১ম National Security Advisory Board-এর সদস্য — উচ্চপর্যায়ের সরকারি সংস্থা।
Nuclear Doctrine Drafting Group-এর সদস্য — ভারতের পারমাণবিক ভঙ্গি গঠনে সহায়তা।
Finance Commission-এ Advisor on Defence Expenditure।
এখনও Strategic Nuclear Orientation Course পরিচালনা করেন Brigadier-পদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য (MoD-স্পন্সরড)।
জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজ, আর্মি ওয়ার কলেজ, এয়ার ওয়ারফেয়ার কলেজে নিয়মিত লেকচার দেন।
তার বই Oxford University Press, Praeger, Penguin, Macmillan থেকে প্রকাশিত।
খ। কিন্তু এখন সম্ভবত সিরিয়াসলি নেয় না:
সম্প্রতি এয়ার মার্শাল অর্জুন সুব্রহ্মণ্যম (২০১৩) তার কাজকে “flights of fantasy,” “half-baked truths” বলে প্রকাশ্য সমালোচনা করেন। [১৫]
রবি জোশী (সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা) তার বইয়ের নেতিবাচক সমালোচনা করেন।
সুমিত গাঙ্গুলী (বিশিষ্ট পণ্ডিত) Staggering Forward-কে “uneven” বলেন।
নেপাল/ভুটানকে পারমাণবিক অস্ত্র দেওয়া, বাংলাদেশের সাথে population transfer এবং সার্বভৌম ভূখণ্ড কেনার মতো fringe positions তাকে মূলধারার বাইরে রাখে।
CPR-এ তার অবস্থান “emeritus” — সম্মানসূচক কিন্তু প্রভাবশালী নয়।
কোনও কর্মরত ভারতীয় সামরিক কর্মকর্তা প্রকাশ্যে তার রংপুর দখল প্রস্তাব সমর্থন করেননি।
কমান্ডার অশুতোষ তার নিজস্ব ব্লগে সবচেয়ে বিস্তারিত যুক্তি খণ্ডন দিয়েছেন।
গ। অন্যদের সাথে তুলনা:
ভরত কর্ণাদ: Emeritus Prof, CPR — Low credibility (maverick/fringe)
শেখর গুপ্ত: Editor-in-Chief, ThePrint — High credibility (centrist)
শিবশঙ্কর মেনন: সাবেক NSA — Very High
ব্রহ্মা চেল্লানী: Prof, CPR — High (though controversial)
অজিত ডোভাল: NSA — Highest (decision-maker)
কর্ণাদকে increasingly fringe commentator হিসেবে দেখা হয় — media তে provocative soundbites-এর জন্য উদ্ধৃত হন কিন্তু actual policy প্রভাবিত করেন না।
৫. ক্যারিয়ার বিশ্লেষণ: উত্থান ও পতন
ক। তার ক্যারিয়ার সময়রেখা:
১৯৬৭–১৯৭১: BA Political Science, UC Santa Barbara — মার্কিন শিক্ষা
১৯৭২–১৯৭৫: MA Political Science/IR, UCLA — স্নাতক প্রশিক্ষণ
১৯৯২–১৯৯৫: Advisor, Defence Expenditure, Finance Commission — প্রথম বড় সরকারি ভূমিকা
১৯৯৮–২০০০: Member, ১ম NSAB — সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানিক প্রভাব
১৯৯৯: Member, Nuclear Doctrine Drafting Group — ভারতের পারমাণবিক মতবাদ প্রণয়নে ভূমিকা
২০০০s: Senior Fellow, CPR — স্থিতিশীল থিঙ্ক-ট্যাংক অবস্থান
২০০২: Nuclear Weapons and Indian Security (Macmillan) — পারমাণবিক কৌশলবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা
২০০৮: India’s Nuclear Policy (Praeger) — একাডেমিক স্বীকৃতি
২০০৯: Visiting Scholar, CASI, UPenn — আন্তর্জাতিক একাডেমিক সম্পৃক্ততা
২০১৩: IAF-এর সাথে প্রকাশ্য বিরোধ — টার্নিং পয়েন্ট, বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত
২০১৫: Why India is Not a Great Power (Yet) (OUP) — সবচেয়ে বিখ্যাত বই; মিশ্র প্রতিক্রিয়া
২০১৮: Staggering Forward (Penguin) — মোদীর সমালোচনা, প্রতিষ্ঠান থেকে আরও দূরত্ব
২০২০s: ব্লগ “Security Wise” প্রধান প্ল্যাটফর্ম — প্রতিষ্ঠানিক থেকে ব্যক্তিগত প্ল্যাটফর্মে স্থানান্তর
২০২৫: রংপুর দখল নিবন্ধ — এখন পর্যন্ত সবচেয়ে চরম অবস্থান
২০২৬: Emeritus Professor, CPR — ক্যারিয়ার সূর্যাস্তের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি
অর্থাৎ ২০০৮-এর পর থেকে কর্ণাদ আর কোনো সক্রিয় সরকারি প্রকল্পে নেই। নিজের বই লেখা ও ব্লগে মন্তব্যের উত্তর দেওয়াই তার প্রধান কাজ।
খ। প্রধান সাফল্য:
UCLA-তে মার্কিন শিক্ষা (বিশ্বের শীর্ষ ২০)
মূল NSAB ও Nuclear Doctrine Drafting Group-এর সদস্য — ঐতিহাসিক প্রথম
প্রতিষ্ঠিত একাডেমিক প্রকাশকদের সাথে বই
শীর্ষ সামরিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ
৩০+ বছর জাতীয় নিরাপত্তা ভাষ্যকার হিসেবে টিকে থাকা
গ। প্রধান ব্যর্থতা:
২০১৩ IAF বিরোধ: এয়ার মার্শাল অর্জুন সুব্রহ্মণ্যমের প্রকাশ্য তিরস্কার। কর্ণাদকে “জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্ন করার” অভিযোগ। [১৫]
রাফেল বিতর্ক: রাফেল চুক্তির relentless সমালোচনা (২০১৫–২০২৪) তাকে মোদী সরকারের বিরোধী হিসেবে চিহ্নিত করে।
২০১৫-এর পর আর কোনো সরকারি উপদেষ্টা পদ পাননি। ব্লগ হয়ে ওঠে তার প্রধান প্ল্যাটফর্ম।
৭৮ বছর বয়সে সম্ভবত তিনি প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছেন।
ঘ। কেন তিনি এখন এই নিবন্ধ লিখলেন?
লিগেসি তৈরি: ৭৮ বছর বয়সে অবসরের আগে নিজের উত্তরাধিকার শক্ত করতে চান।
মোদীর প্রতি হতাশা: নিবন্ধে সরাসরি মোদীকে “সাহসের অভাব” বলে সমালোচনা করেন।
টাইমিং: আগস্ট ২০২৪-এর বাংলাদেশ turmoil, অপারেশন সিন্ধুর, ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তন — ভূ-রাজনৈতিক মুহূর্ত ripe মনে করেন।
ফ্রি টাইম: ৪৯টি মন্তব্য দেখায় তার কিছু নিবেদিত শ্রোতা আছে। আর তার প্রচুর সময় আছে যা তিনি মন্তব্যে ব্যস্ত থাকার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়।
বই বিক্রি: বিতর্ক বই বিক্রি বাড়ায়।
৬. উপসংহার।
ক। অন্যান্য ভারতীয় বিশ্লেষকরা কি তার সাথে একমত? — ডানপন্থী একটি গোষ্ঠী একমত, কিন্তু মূলধারার বিশ্লেষক ও কর্মরত কর্মকর্তারা নন।
খ। তার উদ্দেশ্য কি আলোচনার কেন্দ্রে থাকা? — আংশিক, কিন্তু প্রকৃত বিশ্বাসও রয়েছে।
গ। প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান কি তাকে সিরিয়াসলি নেয়? — সামান্য, ক্রমহ্রাসমান বিশ্বাসযোগ্যতা। Fringe provocateur হিসেবে দেখা হয়।
ঘ। ক্যারিয়ার ট্রাজেক্টরি? — বেশ আগে উচ্চ প্রভাব (১৯৯৮–২০০৮), পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্ত সুনাম (২০১৩+), এখন চরম অবস্থানের সাথে পতন।
ভরত কর্ণাদের রংপুর নিবন্ধ তার প্রকৃত কৌশলগত বিশ্বদৃষ্টি এবং তার প্রতিষ্ঠানিক প্রভাব কমে যাওয়ায় প্রাসঙ্গিক থাকার প্রচেষ্টা উভয়ই প্রতিফলিত করে। তিনি ভারতীয় ডানপন্থী ভাষ্যকারদের একটি ছোট কিন্তু সোচ্চার গোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর যারা আঞ্চলিক সম্প্রসারণের পক্ষে। কিন্তু তিনি মূলধারার থেকে সম্ভবত কিছুটা দূরে এবং তার প্রকৃত ভারতীয় সরকারি নীতি প্রভাবিত করার সাম্প্রতিক বড় কোনো প্রমাণ নেই।
আমাদের করণীয়:
তার এই বিশ্লেষণগুলি ভারতীয় নীতিতে এখন হয়তো বড় প্রভাব ফেলছে না। কিন্তু এগুলি Indian strategic circle-এ একটি ক্রমবর্ধমান expansionist mindset নির্দেশ করে।
আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে এবং নিজের কৌশলগত অবস্থান ও প্রস্তুতি শক্তিশালী করতে হবে।
— তথ্যসূত্র —
[১] Bharath Karnad(DOT)com/2025/12/21/widen-the-siliguri-corridor-annex-the-rangpur-division-of-bangladesh/ [২] OpIndia(DOT)com/2025/04/time-for-india-to-expand-geographically-chickens-neck-needs-to-become-the-elephants-trunk-undivided-bengal/ [৩] SwarajyaMag(DOT)com/world/strategic-expansion-homeland-for-hindus-of-bangladesh-and-solution-for-geographical-handicap-in-northeast [৪] PGurus(DOT)com/chickens-neck-or-siliguri-corridor-indias-jugular/ [৫] PunjabOutlook(DOT)com/a-squandered-leverage-in-1971-and-the-imperative-to-correct-it-now-gps-mann/ [৬] STRIVEIndia(DOT)in/the-1971-mirage/ [৭] Organiser(DOT)org/2025/12/23/331664/bharat/assam-cm-himanta-calls-for-widening-siliguri-corridor-by-22-km-cites-rising-threats-to-national-security/ [৮] SwarajyaMag(DOT)com/ideas/the-temptation-and-danger-of-reclaiming-rangpur-and-chittagong [৯] ThePrint(DOT)in/defence/why-siliguri-corridor-is-strategically-important-for-india-how-it-is-being-secured-cut-the-clutter/2905600/ [১০] Metro-Morning(DOT)com/rangpur-sovereignty-and-indian-hypocrisy/ [১১] Firstpost(DOT)com/opinion/india-and-bangladesh-whose-chicken-neck-whose-vulnerabilities-13964860.html [১২] NewIndianExpress(DOT)com/explainers/2025/May/25/why-chickens-neck-is-a-perennial-security-challenge-3 [১৩] AirPowerAsia(DOT)com/2026/01/07/whose-chicken-neck-and-whose-vulnerabilities/ [১৪] Borderlens(DOT)com/2025/10/21/securing-the-chickens-neck-geopolitical-imperatives/ [১৫] NewIndianExpress(DOT)com/opinion/2013/Nov/07/undermining-national-security-534620.htmlলেখক : সৈয়দ জিয়াউল হক ( ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)
