মহেশখালীতে পাহাড়ের ঢালুতে ৫শতাধিক মানুষের বসবাস 

fec-image

পাহাড় ভেঙে পড়বে এখনই মাথার ওপর। তছনছ হয়ে যাবে কুঁড়েঘরে সাজানো সংসার। কেড়ে নেবে স্ত্রী-সন্তানসহ প্রিয়জনদের জীবন। বর্ষা মৌসুম এলে চোখে ঘুম আসে না এই চিন্তায় মহেশখালীর পাহাড়ি বাসিন্দাদের।

বাংলাদেশে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে লক্ষাধিক পরিবার পাহাড়ের একদম গা ঘেঁষে ঘর তৈরি করে পরিজন নিয়ে বসবাস করছে। পাহাড় ধসে মাটির নিচে চাপা পড়ে প্রতি বছর বর্ষাকালে পাহাড়ি বাসিন্দাদের মৃত্যুর ঘটনা চোখে পড়ার মতো। পাহাড়ের ওপর বসতঘর দেখে মনে হয় পরিবারগুলো যেন মৃত্যুকূপে বসবাস করছে।

এসব পরিবারকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রায় সময়ই ব্যাপক তৎপরতা দেখা যায়। পুনর্বাসনের তেমন কোনো উদ্যোগ না থাকায় পাহাড়ি বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে।

কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার অনেক পাহাড়ি এলাকায় প্রায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঘটে। তা সত্ত্বেও দরিদ্র এবং অসচেতন মানুষগুলো ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছে। তাদের দাবি সংশ্লিষ্ট র্কর্তৃপক্ষের কাছে দেশের সরকারি খাস জায়গা-জমি পাহাড়ি বাসিন্দা ও ভূমিহীনদের নামে বরাদ্দ দেওয়া হোক। তাহলে এরকম ঝুঁকির মধ্যে তাদের বসবাস করতে হবে না।

৭জুন সকাল থেকে উপজেলা প্রশাসনের দুটি টিম কালারমারছড়া, হোয়ানক, বড় মহেশখালী ছোট মহেশখালীসহ ৪টি ইউনিয়নে ব্যাপক প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছে। অত্র ইউনিয়নের প্রায় ৫শতাধিক মানুষ পাহাড়ের ঢালুতে বসবাস করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুর রহমান বলেন, আমরা উপজেলার পাহাড়ি সব ইউনিয়নে প্রচার ও পাদদেশে বসবাসরত সকল জনগোষ্ঠিকে নিরাপদে সরিয়ে যেতে মাইকিং করে যাচ্ছি এবং ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনদের সরকারীভাব সহযোগিতা করে যাচ্ছি।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two × three =

আরও পড়ুন