মহেশখালীতে ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে দরিদ্রদের ১৭টি দুর্যোগ সহনীয় ঘর

fec-image

গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) ও কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) কর্মসূচির বিশেষ বরাদ্দের অর্থ দিয়ে তৈরি গৃহহীন মানুষের জন্য ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৭টি বাড়ি পাচ্ছে মহেশখালী উপজেলার হত দরিদ্ররা।

রোববার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে সকাল সাড়ে ১০টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আশ্রয়কেন্দ্রগুলো উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ঘরের নামফলকে লেখা থাকবে, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান/টিআর-কাবিটা কর্মসূচির আওতায় দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

সুত্রে জানা গেছে , আগামী পাঁচ বছরে টিআর ও কাবিটার বিশেষ বরাদ্দের তিন হাজার কোটি টাকা দিয়ে দরিদ্রদের এক লাখ ২৫ হাজার নতুন ঘর তৈরি করে দেবে সরকার। কোন কোন শর্তে ঘর দেয়া হবে সে জন্য একটি নির্দেশিকাও করেছে মন্ত্রণালয়।

প্রথম পর্যায়ে এ বছরের জুনের মধ্যে প্রতি জেলায় গড়ে প্রায় ১৮৭টি করে ৬৪ জেলায় ১১ হাজার ৪০৬টি নতুন ঘর নির্মাণ করে দেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। সেখানে ১১ হাজার ২৭৩টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। তার মধ্যে জেলার ১৮৭ টির মধ্যে মহেশখালী উপজেলায় পেয়েছে ১৭টি ঘর।

প্রথম ধাপে ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৭টি ঘর দেয়া হচ্ছে পর্যায়ক্রমে আরো দেয়া হবে প্রতিটি ইউনিয়নের হত দরিদ্রদের মাঝে।

মহেশখালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৫০০ বর্গফুটের প্রতিটি ঘরে থাকবে দুটি কক্ষ, একটি করিডোর, একটি বাথরুম ও একটি রান্নাঘর। দুর্যোগ সহনীয় এসব ঘর হবে টেকসই এবং প্রতিটি ঘরেই থাকবে সোলার সিস্টেম আর বজ্রপাত নিরোধক ব্যবস্থা। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।

মহেশখালী কুতুবদিয়ার সাংসদ আলহাজ আশেক উল্লাহ রফিক বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কেউ গৃহহীন থাকবেনা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ি প্রতিটি গৃহহীনকে খুঁজে বের করে তাদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।  নির্দেশিকা অনুযায়ি ডিসিসহ সংশ্লিষ্টরা সুবিধাভোগীদের নির্বাচন করে থাকেন।

কারও এক বা দুই শতাংশ জায়গা আছে কিন্তু ঘর নেই, বা ঘর আছে কিন্তু তা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। তাদের এই ঘর দেয়া হচ্ছে। এছাড়া যে পরিবারে পুরুষ সদস্য নেই বা পুরুষ সদস্য আছে কিন্তু তার বয়স ৬৫ বছরের ওপর; নদীভাঙনে যারা ঘরবাড়ি হারিয়েছেন, এছাড়া বেদে ও হিজড়াদের জন্য এসব ঘর দেয়া হচ্ছে।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

13 − 7 =

আরও পড়ুন